চীনের করিডরে বড় বাধা অশান্ত মিয়ানমার

চীনের করিডরে বড় বাধা অশান্ত মিয়ানমার

চীনের করিডরে বড় বাধা অশান্ত মিয়ানমার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর চায় বেইজিং। ১০ বছর আগের প্রস্তাব আলোচনায় আসে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে।

প্রস্তাবিত করিডরটি চীনের কুনমিং থেকে যাবে মিয়ানমারের মান্দালয়ে। সেখান থেকে একটি অংশ ইয়াঙ্গুন এবং আরেক অংশ বিস্তৃত হবে রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত। রাখাইন থেকে সড়ক, রেল ও সমুদ্র পথে যুক্ত হবে কক্সবাজার-চট্টগ্রামের সঙ্গে।

তবে বিশাল এই কর্মযজ্ঞের বাধা হলো ভূরাজনীতি, রোহিঙ্গা সংকট, রাখাইনের অস্থিরতা ও নাফ নদীর দুই পাড়ের নিরাপত্তা। প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে জব্দ হচ্ছে মাদক আর অস্ত্র।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক আ ন ম মুনীরুজ্জামান, মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ছাড়া চীনের প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এসব বিষয়ে মীমাংসা না হলে করিডরের সুফল পাবে না ঢাকা।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানান, এসব বিষয় আমলে নিয়ে করিডর প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে সরকার। চীনের অন্যান্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগ মূল্যায়ন করেই করিডর ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিবেচনা করা হবে নিরাপত্তার দিকও।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এশিয়া ও ইউরোপের প্রায় ৪০টি দেশের সাথে চীনের অর্থনৈতিক করিডর রয়েছে। ৬টি প্রধান অর্থনৈতিক করিডরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্যকর নিউ ইউরেশিয়ান ল্যান্ড ব্রিজ। বাকিগুলো এখন আংশিকভাবে চালু। চীনের প্রস্তাব কতটা উপযোগী তা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকা-বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তাই সর্তকতার সঙ্গে আগানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *