খাগড়াছড়িতে অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী উদ্ধার - Southeast Asia Journal

খাগড়াছড়িতে অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী উদ্ধার

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ের বিবাদমান দুটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলির পর ঘটনাস্থল থেকে অনুপম চাকমা ওরফে প্রলয় (৩৫) নামে প্রসীত পন্থি ইউপিডিএফের এক সস্ত্রাসীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি এর সদস্যরা। এসময় ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে অস্ত্র ও গুলিসহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

গতকাল ২২ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার বড়নাল ইউনিয়নের তৈলাফাংপাড়া নামক স্থান থেকে তাকে উদ্ধার করে ২৩ বিজিবির সদস্যরা। আহত অনুপম চাকমা খাগড়াছড়ি জেলা সদরের গোলাবাড়ি ইউনিয়নের হরিণাথ পাড়ার বাসিন্দা মনুজয় চাকমার ছেলে বলে জানা যায়। অনুপম চাকমা ওরফে প্রলয় মাটিরাঙ্গার বড়পাড়া-বড়নাল এলাকায় প্রসীত পন্থি ইউপিডিএফের পোস্ট কালেক্টরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জানা যায়, এদিন সন্ধ্যার দিকে বর্ণিত এলাকায় পাহাড়ের বিবাদমান দুটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় খবর পেয়ে ২৩ বিজিবি (যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন)র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এবিএম জাহিদুল করিমের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সমস্ত্রাসীদের দুটি পক্ষই উক্ত এলাকা ত্যাগ করে। এসময় বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় পড়ে থাকা অনুপম চাকমাকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে ম্যাগাজিনসহ ১টি ৯ মিঃ মিঃ পিস্তল, ৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১টি বাটন মোবাইল ফোন, ইউপিডিএফ এর চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, ১টি হ্যান্ডব্যাগ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করেন বিজিবি।

পরে বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আহত অবস্থায় উদ্ধারকৃত সন্ত্রাসী এবং জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য মালামালসহ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন বিজিবি।

উদ্ধারের পর পুলিশ আহত সন্ত্রাসী অনুপম চাকমাকে মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করার পর তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে, এঘটনার পর থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আশে-পাশের এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে ২৩ বিজিবি।