নাইজেরিয়ার এক গ্রামে ১৬২ জনকে হত্যা করল বন্দুকধারীরা

নাইজেরিয়ার এক গ্রামে ১৬২ জনকে হত্যা করল বন্দুকধারীরা

নাইজেরিয়ার এক গ্রামে ১৬২ জনকে হত্যা করল বন্দুকধারীরা

নাইজেরিয়ার এক গ্রামে ১৬২ জনকে হত্যা করল বন্দুকধারীরা

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

নাইজেরিয়ার কওয়ারা রাজ্যের একটি গ্রামে সশস্ত্র বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১৬২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেড ক্রসের এক কর্মকর্তা। এর আগে প্রাথমিকভাবে ৬৭ জন নিহতের খবর জানিয়েছিল রেড ক্রস।

কওয়ারা রাজ্য রেড ক্রসের সেক্রেটারি বাবাোমো আয়োদেজি জানান, ‘মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।’ কাইয়ামা অঞ্চলের স্থানীয় আইনপ্রণেতা সাইদু বাবা আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওরো গ্রামে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের পর ‘৩৫ থেকে ৪০টি মৃতদেহ গণনা করা হয়েছিল।’

পুলিশ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হতাহতের কোনো সংখ্যা জানায়নি। রাজ্য সরকার এই হামলার জন্য ‘সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছে।

আহমেদ বলেন, অনেকেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে বন্দুকধারীরা ওরো গ্রামে হামলা চালায়। তারা ‘দোকানপাট ও (স্থানীয়) রাজার প্রাসাদে আগুন ধরিয়ে দেয়।’

কওয়ারা রাজ্যের গভর্নর আবদুলরাহমান আবদুলরাজাক এই হামলাকে ‘রাজ্যের বিভিন্ন অংশে চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রতিশোধ’ হিসেবে দেখছেন। হামলাটিকে ‘সন্ত্রাসীদের কাপুরুষোচিত প্রতিক্রিয়া’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

গত মাসে দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, কওয়ারা রাজ্যে ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও সমন্বিত আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সেনাবাহিনী ১৫০ জন ‘ব্যান্ডিট’কে হত্যা করেছে।

গত ৩০ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, ‘তারা সফলভাবে সন্ত্রাসীদের নিষ্ক্রিয় করেছে, যদিও কিছু জঙ্গি জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।’ তবে তাদের আস্তানাগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানায় সেনাবাহিনী।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed