ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনি তার নির্ধারিত দায়িত্বপালন করছিলেন এবং তার কর্মক্ষেত্রে (দপ্তরে) উপস্থিত ছিলেন।

এক বিবৃতিতে ইরানের রেভুল্যুশনারি গার্ড বলেছে, “আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি আর আমরা তার জন্য শোক করছি। তিনি এমন একজন নেতা যিনি আত্মার পবিত্রতা, ঈমানের দৃঢ়তা, সৃজনশীল মানসিকতা, অহংকারীদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস ও আল্লাহর পথে জিহাদের ক্ষেত্রে অনন্য ছিলেন।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, শনিবার তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, খামেনি ও অন্য শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তারা ‘যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম এড়াতে পারেননি’।

খামেনি হত্যা ইরানের গতিপথ বদলাতে পারে: রেজা পাহলভি

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাচ্যুত শেষ শাহের নির্বাসিত ছেলে রেজা পাহলভি।

ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত নিবন্ধে নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন তিনি। ‘স্বাধীনতার সুযোগ’ করে দেওয়ার জন্য  প্রথমেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রেজা।

তিনি লিখেছেন, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে, বিশ্বের নানা স্থানে সংঘাত উসকে দিয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক

রেজা পাহলভি বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে ‘ভয়ানক অপরাধ’ দেশের ভেতর সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনের সময় হাজার হাজার প্রতিবাদী প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি মনে করেন, দেশের ভবিষ্যতের পথ নতুন সংবিধানের মাধ্যমে হওয়া উচিত, যা গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন পাবে বং এরপর ‘আন্তর্জাতিক তদারকিতে’ স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি লিখেছেন, “ইতিহাস প্রায়ই তার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো আগাম ঘোষণা করে না। কিন্তু এমন মুহূর্ত আসে যখন সাহস, নেতৃত্ব এবং ঐক্য দেশের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।”

ইরানের কোথায় কোথায় হামলা হল?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে ইরানে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। বেশিরভাগ আক্রমণ তেহরানে হলেও সামরিক স্থাপনা, গোয়েন্দা সদরদপ্তরের মতো স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরান এর পাল্টায় ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

 

খামেনি হত্যার জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের প্রেসিডেন্টের

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে ‘একটি মহা অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

তার দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খামেনি হত্যার সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।

বিবৃতিতে বলা হয়, “এই মহা অপরাধের জবাব দেওয়া হবে। এটা ইসলামী বিশ্ব ও শিয়া মতবাদের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। আমাদের শীর্ষ নেতার পবিত্র রক্ত এক গর্জনময় ঝরনার মতো প্রবাহিত হবে এবং আমেরিকান-জায়নবাদী নিপীড়ন ও অপরাধকে নির্মূল করবে।”

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, “এবারও আমরা সর্বশক্তি ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষের সমর্থনে, এই মহা অপরাধের হোতা ও নির্দেশদাতাদের অনুতপ্ত হতে বাধ্য করব।”

খামেনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের শোক পালনের পাশাপাশি অতিরিক্ত সাত দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছেন পেজেশকিয়ান।

ইসরায়েলে নিহত ১, আহত ১২১

ইসরায়েলের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ইসরায়েলি নারী নিহত হয়েছে এবং ১২১ জন আহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই সামান্য আহত হয়েছে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, ইরান থেকে ছোড়া বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। তবে কয়েকটি তেল আবিব ও বিট শেমেশ শহরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের ভবিষ্যৎ চীনের কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে যাদের সঙ্গে ইরানের কার্যকর বাণিজ্য সম্পর্ক ছিল, এমন একটি দেশ হল চীন। কেউ কেউ এমনও বলেন, ইরানি তেল কেনার মাধ্যমে বেইজিং কার্যত দেশটির সরকারকে টিকিয়ে রাখছিল।

এই প্রেক্ষাপটে চীন একটি স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করতে হবে।

উত্তেজনা কমাতে চলমান হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আলোচনার টেবিলে ফিরে যাওয়ার কথাও বলেছে তারা।

আল জাজিরা লিখেছে, চীনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের রূপ নিলে জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠবে। আর ওই জ্বালানি বাজারের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বেইজিং। চীনের উদ্বেগের পেছনে আরও একটি কারণ রয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বেইজিং এমন একটি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্ব গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব তুলনামূলক কম থাকবে। এই প্রেক্ষাপটে তারা তেহরানের শাসনব্যবস্থাকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রভাবের বিপরীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য হিসেবে দেখে।

এখন তাদের আশঙ্কা, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হলে বৈশ্বিক জোটের সমীকরণ ওয়াশিংটনের পক্ষে আরো বেশি হেলে যাবে, যা বেইজিংয়ের স্বার্থের অনুকূলে নাও থাকতে পারে।

ইরানি হামলায় কাতারে আহত ১৬

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরানি হামলার পরে আরও আটজন আহত হয়েছে। ফলে হামলার শুরু থেকে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬-তে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় সীমিত পরিমাণে উপকরণগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে।

কুয়েতে আহতদের পাশে প্রধানমন্ত্রী

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনার আঁচ লেগেছে কুয়েতেও।

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত হয়ে অন্তত ১২ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম নামে ২৬ বছর বয়সী এক প্রবাসী বাংলাদেশিও রয়েছেন, তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায়। বর্তমানে তিনি ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল-আহমদ আল-সাবাহ ফারওয়ানিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করে আহত নাগরিক ও প্রবাসীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন।

হাসপাতালে কর্মরত বাংলাদেশি প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. হুসেন জানিয়েছেন, আমিনুলের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তাড়াহুড়ো করে ছুটতে গিয়ে এবং ভিড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে অনেকে আহত হন।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জাবের হাসপাতাল, মুবারক আল-কাবীর এবং আদানি হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অধিকাংশের চোট গুরুতর না হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ট্রমা সেন্টারগুলোতে বাড়তি চিকিৎসক ও নার্স নিয়োজিত করা হয়েছে।

খামেনির মেয়ে, জামাতা, নাতি নিহত

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার সকালে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনির সঙ্গে তার কন্যা, জামাতা ও নাতি নিহত হয়েছেন।

খামেনির মৃত্যু: উদ্ভূত পরিস্থিতি দেখভালে প্রেসিডেন্টসহ ৩ জন

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির শাসন ব্যবস্থা দেখভাল করবেন প্রেসিডেন্ট, বিচার ব্যবস্থার প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন বিচারক।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের পরিষদ এখন খামেনির উত্তরসূরি ঠিক করবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ অব্যাহত থাকায় পরিষদের সবাইকে একত্র করা কঠিন হতে পারে।

এর আগে ১৯৮৯ সালের যেদিন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি মারা যান, সেই ৩ জুনেই স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন খামেনি।

খামেনির উপদেষ্টা শামখানি, আইআরজিসি’র পাকপৌর নিহত

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ বলছে, খামেনির শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি শামখানি তেহরানে মার্কিন–ইসরায়েলি আক্রমণে নিহত হয়েছে।

ইসলামী বিপ্লবী রক্ষা বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি।

গত বছরের জুনে ১২‑দিনের ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর পাকপৌরকে আইআরজিসি’র কমান্ডার-ইন-চিফের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি বাহিনীটির গ্রাউন্ড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন।

আর শামখানি ওই যুদ্ধে আহত হয়েছিলেন।

৩৭ বছর ধরে ধর্মীয় নেতা ছিলেন খামেনি

১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ধর্মীয় পণ্ডিতের সন্তান খামেনি ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর আলি খামেনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কোর (আইআরজিসি) গঠনে সহায়তা করেন।

১৯৮৯ সালের জুন মাসে খোমেনির মৃত্যু হলে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। শিয়া ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে প্রয়োজনীয় মর্যাদা অর্জন না করলেও তাকে দায়িত্ব গ্রহণের অনুমতি দিতে সংবিধান পরিবর্তন করা হয়।

এরপর থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জগুলো কখনও কখনও সহিংসভাবে দমন করেছেন।

তিনি পররাষ্ট্র বিষয়েও ধারাবাহিকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান মুখোমুখি অবস্থান রয়েছে। তিনি বরারবরই ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং হলোকাস্ট ঘটেছিল কি না তা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন।

ছয়জন সন্তানের জনক খামেনির শাসনামলে ইরানে সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইরানে নতুন করে ৩০টির বেশি স্থানে হামলা ইসরায়েলের

পশ্চিম ও মধ্য ইরানে ৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।

এক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনী বলেছে, “সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের নির্দেশনায় বিমান বাহিনীর ডজনখানেক যুদ্ধবিমান পশ্চিম ও মধ্য ইরানে ইরানি সন্ত্রাসী শাসনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে অল্প কিছুক্ষণ আগে আরেক দফা হামলা সম্পন্ন করেছে।”

ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানে বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সামরিক সদর দপ্তর এবং অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত থাকবে।

‘বিধ্বংসী অভিযান’ শিগগিরই: আইআরজিসি

ইরানের সংবাদ সংস্থা পার্স নিউজ দেশটির বিপ্লবী রক্ষা বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। ওই বিবৃতিতে ‘ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক সামরিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, এই আক্রমণ ‘কিছুক্ষণের মধ্যেই’ শুরু হবে এবং এ অঞ্চলের ‘দখলকৃত ভূখণ্ড ও আমেরিকান সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ নিশানা করে এটি পরিচালিত হবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।