রাঙামাটিতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের বাছাই পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৩০৭ যুবক-যুবতী

রাঙামাটিতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের বাছাই পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৩০৭ যুবক-যুবতী

রাঙামাটিতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের বাছাই পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৩০৭ যুবক-যুবতী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে রাঙামাটিতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার সকালে রাঙামাটি জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাছাই পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মোট ৩০৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে ৭৫ জনকে নির্বাচিত করা হবে, যারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তিন মাস মেয়াদি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের আধুনিক ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাদির শাহ, রাঙামাটি জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাং শাহজাহান, সহকারী উপ-পরিচালক উষা মগ এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের পার্বত্য জেলার বিভাগীয় প্রধান নিরত বরন চাকমা। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটিতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের বাছাই পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৩০৭ যুবক-যুবতী

পরীক্ষার্থীরা জানান, উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে চান। চাকরির পেছনে না ছুটে নিজস্ব দক্ষতার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

রাঙামাটি জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাং শাহজাহান বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ তরুণদের ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ খাতে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের তরুণরা আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারছেন। তাই পার্বত্য অঞ্চলের যুবকদেরও এই খাতে সম্পৃক্ত করতে সরকার বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

উল্লেখ্য, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রাঙামাটিতে পরিচালিত এই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ, যা স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *