বান্দরবানে ইয়াবাসহ ৩ মোটরসাইকেল চালক আটক - Southeast Asia Journal

বান্দরবানে ইয়াবাসহ ৩ মোটরসাইকেল চালক আটক

বান্দরবানে কেএনএফ কর্তৃক ৬ জনকে অপহরণের অভিযোগ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ‍্যংছড়িতে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা, মটর সাইকেল, স্মার্ট ফোনসহ ৩ মোটরসাইকেল চালককে আটক করা হয়েছে। এসময় অভিযানে জব্দকৃত ইয়াবার মালিকদের ধরা যায় নি। আর আটক হওয়া এ যুবকরা হলো-শামসুল তবরিচ (২২)।

সে নাইক্ষ্যংছড়ির কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পূর্বহাজির পাড়ার পেয়ার মোহাম্মদের ছেলে। বাকি ২ জনের বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়ি সতর ইউনিয়নের চাকঢালা বাজার এলাকায়। তাদের একজন হলো, মো. রেজাউল করিম (২০), তার পিতার নাম আবু মাসুম, অপরজন আব্দুল্লাহ (২১), সে এ গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

তাদের একটি টহলদল ১৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইট সংলগ্ন আদর্শগ্রাম এলাকায় হানা দেয়। এ সময সন্দেহজনকভাবে ১টি টিভিএস মোটরসাইকেলসহ ৩ আরোহীকে তল্লাশি করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা টেবলেট এবং তিনটি স্মার্ট ফোন সহ তাদেরকে আটক করে বলে র‍্যাব ১৫ কক্সবাজার অফিস জানান।

এ ঘটনায় তারা নাইক্ষ‍্যংছড়ি থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়। এ প্রক্ষিতে শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকালে তাদেরকে বান্দরবান কোর্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে আটক শামশুল আলমের পিতা পেয়ার মোহাম্মদ বলেন, সে নিজে লেবার ও ভূমিহীন । তার ছেলে বাইক শ্রমিক। তারা এক বেলা খায় আর অন্য বেলা উপোস থাকে। হয়তো ইয়াবা টেবলেট ব্যবসায়ী সেন্ডিকেট কৌশলে প্যাসেঞ্জার সেজে তার সন্তানের বাইকটি ভাড়ায় নিয়ে কোথাও যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। আর এ কারণে
র‍্যাবের অভিযান শুরু করলে ইয়াবার মালিকরা পালালেও মোটরসাইকেল চালকরা ধরা খায়। মূলত তার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী নয়। সে বাইক শ্রমিক। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তার ছেলে মাত্র ক’মাস আগেই মোটর বাইক চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে মেরুদণ্ড হারায়। এখনও সে রোগী। পেটের ও পরিবারের টানে অতি কষ্টে সে এ বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। আর সন্ধ্যায় দু”মুটো চাল নিয়ে বাড়ি ফিরে।

অপর দিকে সচেতন মহলের দাবি, নাইক্ষ‍্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় ঘাপটি মেরে থাকা কিছু ইয়াবা, সুপারি, স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাকারবারের গডফাদার এলাকার হতাশ ও অসচ্ছল পরিবারের যুবকদের ব্যবহার করে বিভিন্ন কৌশলে দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা টেবলেট সহ নানা পণ্য পাচার করছে। যা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়েই করছে । তবে র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ছে সামান্য।