বান্দরবানে পাহাড়ে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে- জেলা প্রশাসন
![]()
নিউজ ডেস্ক
পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দুদিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার তৈরি হয়েছে। এছাড়া জেলার রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচিতে পাহাড় ধসের তিনটি ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
এসব ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া না গেলেও পাহাড়ি এলাকায় ১৬১ জন পর্যটক আটকে পড়েছিলেন বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।
তিনি জানান, টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার নদ-নদী ও পাহাড়ি ছড়ার পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে শহরে যে জলবদ্ধতা তৈরি হয়েছে সেটি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে হয়নি বলে দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক।
“নদীর পানি বাড়লেও সেটি এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। তবে শহরের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি করেছিল, এখন পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে,” বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

এদিকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রেমাক্রি ও নাফাখুম এলাকায় আটকে পড়া ১৬১ জন পর্যটককে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত নিরাপদে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন মি. ফেরদৌস।
তিনি বলেন, “ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পর্যটকদের অনেকে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকে পড়েছিলেন, তাদের পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করা হয়েছে।”
মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
পর্যটকসহ সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১০ই জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার পাহাড়ধসের কারণে বান্দরবানের সঙ্গে থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সড়ক থেকে ধসে পড়া মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে বলেও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।