টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে পানিবন্দি ৪০ হাজার পরিবার, বিচ্ছিন্ন সাজেক-লংগদু সড়ক যোগাযোগ

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে পানিবন্দি ৪০ হাজার পরিবার, বিচ্ছিন্ন সাজেক-লংগদু সড়ক যোগাযোগ

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে পানিবন্দি ৪০ হাজার পরিবার, বিচ্ছিন্ন সাজেক-লংগদু সড়ক যোগাযোগ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার সদর, পানছড়ি, মহালছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৪০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সড়কে পানি ওঠায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক ও রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায় সরাসরি যান চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সাজেকে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক নিরাপদে রয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটছে। এতে কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার নয়টি উপজেলায় মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

খাগড়াছড়ি আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। তিনি জানান, কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে বা নিরাপদ স্থানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পানিবন্দি ও দুর্গত মানুষের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *