টানা বর্ষণে রাঙামাটির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে চার হাজারের বেশি মানুষ

টানা বর্ষণে রাঙামাটির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে চার হাজারের বেশি মানুষ

টানা বর্ষণে রাঙামাটির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে চার হাজারের বেশি মানুষ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

বাঘাইছড়ি পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড ও একাধিক ইউনিয়নের বসতবাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক পরিবার গবাদিপশু নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া বাজার ও আশপাশের কয়েকটি গ্রাম পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া খাগড়াছড়ির মহালছড়ি সড়কে পানি ওঠায় রাঙামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভায় তিনটিসহ উপজেলায় মোট ১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২৭২ জন মানুষ অবস্থান করছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, রাঙামাটি জেলায় মোট ১৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে বর্তমানে ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই সঙ্গে চলমান ভারী বর্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট ৯৭টি ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বিলাইছড়িতে সর্বোচ্চ ৩৭টি, কাউখালীতে ৩০টি, কাপ্তাইয়ে ১৫টি, রাঙামাটি সদরে ১০টি, বাঘাইছড়িতে ৩টি এবং নানিয়ারচরে ২টি পাহাড়ধসের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।