মহালছড়িতে একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া টুম্পাকে উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা

মহালছড়িতে একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া টুম্পাকে উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা

মহালছড়িতে একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া টুম্পাকে উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় একমাত্র জিপিএ-৫ (A+) অর্জনকারী শিক্ষার্থী টুম্পা চাকমাকে ফুলেল সংবর্ধনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (১২ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী টুম্পা চাকমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এরফানুল হক চৌধুরী টুম্পার হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং তার ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সুমন মিয়া, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) কর্মকর্তা জিয়াউল হক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে টুম্পা চাকমার কৃতিত্বের প্রশংসা করে অতিথিরা বলেন, প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তার এই ফলাফল নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তার সাফল্য এলাকার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে উৎসাহিত করবে।

মহালছড়িতে একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া টুম্পাকে উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা

জানা গেছে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মহালছড়ি উপজেলার সিঙ্গিনালা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে টুম্পা চাকমা একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। ফলে পুরো উপজেলায় তিনিই একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

টুম্পার এই সাফল্যে সিঙ্গিনালা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও জিপিএ-৫ অর্জন করায় টুম্পাকে অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় টুম্পা ও তার পরিবারের মধ্যেও আনন্দ দেখা গেছে। স্থানীয়দের মতে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও প্রণোদনা আরও বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে এমন সাফল্যের সংখ্যা বাড়বে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, টুম্পা চাকমার এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি মহালছড়ির প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের উৎসাহিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed