মোদির মতো নেতা ১৯৪৭ সালে থাকলে ভারত ভাগ হতো না- যোগী আধিত্যনাথ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের শাসনের অবসানের মাধ্যমে ভারত বিভক্ত হয়ে জন্ম হয় পাকিস্তান ও ভারত নামে আলাদা দুই রাষ্ট্রের। এরমধ্যে বর্তমান বাংলাদেশ ওই সময় পাকিস্তানের অংশ ছিল। পাকিস্তান ওই বছরের ১৪ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করে। আর ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ১৫ আগস্ট।
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আধিত্যনাথ দাবি করেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যদি ওই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকতেন তাহলে ভারত ভাগ হতো না। বর্তমান বাংলাদেশ, পাকিস্তান সব ভারতের অংশই থাকত। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের কারণেই ভারত ভাগ হয়েছিল এবং এরপর হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে দাঙ্গা বেধে যায়।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে হিন্দুত্ববাদী যোগী বলেন, “স্বাধীনতার সময় (১৯৪৭ সালে) নরেন্দ্র মোদি যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন তাহলে কেউ একটুও ভারতের ক্ষতি করতে পারত না। তার মতো নেতা কখনো ভারতকে ভাগ হতে দিতেন না।”
যোগী আরও বলেন, “সর্দার ভল্লবভাই প্যাটেল যদি ওই সময় প্রধানমন্ত্রী থাকতেন তাহলে কেউ ভারতকে খণ্ড খণ্ড করতে পারত না। কংগ্রেসের কাপুরুষ নেতাদের জন্য ভারতকে অনেক চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। যা আপনারা সিএএ-র বিক্ষোভের সময় দেখেছেন।”
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সিন্ধু, পাঞ্জাব ও বাংলা ভৌগলিকভাবে হিন্দু অধ্যুষিত হলেও সেগুলোর অংশ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “বাংলা ছিল বাঙালি অধ্যুষিত। সব হিন্দু গ্রাম জোরপূর্বক বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে। এই লজ্জাজনক কাজ করেছে কংগ্রেস। যারা ক্ষমতার জন্য অতিরিক্ত অস্থির ছিলেন। তাদের ওপর মানুষ বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু তারা এর বদলে বেঈমানি করেছেন।”
এছাড়া কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই এ হিন্দুত্ববাদী বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে হিন্দুরা হত্যার শিকার হচ্ছে। কিন্তু নিজেদের ভোট ব্যাংকের কথা চিন্তা করে কংগ্রেস এ ব্যাপারে কোনো কথা বলে না।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।