মিয়ানমারের বৌদ্ধ মঠে জান্তার বিমান হামলায় নারীসহ নিহত অন্তত ১৪

মিয়ানমারের বৌদ্ধ মঠে জান্তার বিমান হামলায় নারীসহ নিহত অন্তত ১৪

মিয়ানমারের বৌদ্ধ মঠে জান্তার বিমান হামলায় নারীসহ নিহত অন্তত ১৪
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের একটি বৌদ্ধ মঠে সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিমান থেকে চালানো বিমান হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রতিরোধ গোষ্ঠী এবং এক বাসিন্দার বরাতে জানা যায়, মান্দালয় শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত মিওয়াং টাউনশিপের সোয়েল লে ওহ গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উপলক্ষ ঘিরে সপ্তাহব্যাপী প্রার্থনায় অংশ নিতে মঠটিতে শতাধিক মানুষ অবস্থান করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, যুদ্ধবিমান থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বোমা ফেলা হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। বিবিসি বার্মিজ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৪ জন বলে উল্লেখ করেছে।

সেনাবাহিনী এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তারা অতীতে সবসময় বৈধ লক্ষ্যবস্তুতেই আক্রমণের দাবি করে এসেছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে ছড়িয়ে পড়া গৃহযুদ্ধে ইতোমধ্যে বহু বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে ওয়াশিংটনভিত্তিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস জানিয়েছে। বর্তমানে দেশটির প্রায় ৪২ শতাংশ এলাকা প্রতিরোধ বাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ মাত্র ২১ শতাংশ।

অভ্যুত্থানের পর থেকেই বন্দি রয়েছেন দেশটির গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও নোবেলজয়ী অং সান সু চি, যাকে গত এপ্রিলে গৃহবন্দিত্বে স্থানান্তর করা হয়।

জাতিসংঘের আইআইএমএম সংস্থা বিমান হামলা বৃদ্ধির কথা জানালেও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে কেবল সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করেই অভিযান পরিচালনা করছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *