মাদকমুক্ত লংগদু গড়তে বৈরাগী বাজারে পুলিশের সচেতনতামূলক র‍্যালি

মাদকমুক্ত লংগদু গড়তে বৈরাগী বাজারে পুলিশের সচেতনতামূলক র‍্যালি

মাদকমুক্ত লংগদু গড়তে বৈরাগী বাজারে পুলিশের সচেতনতামূলক র‍্যালি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বগাচত্বর ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লংগদু থানা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে বৈরাগী বাজার থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। পরে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‍্যালিটি একই এলাকায় এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে মাদকবিরোধী সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকারিয়া। এ সময় বগাচত্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল, বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল বাসার, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজসেবক ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদকের বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে তা পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বগাচত্বর ইউনিয়নসহ পুরো লংগদুকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব।

মাদকমুক্ত লংগদু গড়তে বৈরাগী বাজারে পুলিশের সচেতনতামূলক র‍্যালি

বক্তারা বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর করলে চলবে না; পরিবার ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে মাদকের আগ্রাসন প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

র‍্যালি ও সমাবেশে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁদের মতে, নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়ানো সম্ভব।

কর্মসূচি থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *