রাজস্থলীতে বিনামূল্যে বিতরণ ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা

রাজস্থলীতে বিনামূল্যে বিতরণ ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা

রাজস্থলীতে বিনামূল্যে বিতরণ ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রামে সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে রাঙামাটির রাজস্থলীতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে ১৮ হাজার ৬০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজস্থলী রেঞ্জ বন বিভাগের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব চারা বিতরণ করা হয়। কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বন বিভাগের আওতাধীন রাজস্থলী, হ্নারা ও ধনুছড়ি রেঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাজ্জাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ২৯৯ নম্বর সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের প্রতিনিধি আবুল হাসেম মেম্বার এবং রাজস্থলী রেঞ্জ কর্মকর্তা তুহিনুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এসব চারার মধ্যে আমলকী, বেল, তেঁতুল, সুপারি, নারকেল, মেহগনি, লোহাকাঠ, গর্জন ও দেবদারু উল্লেখযোগ্য।

রাজস্থলীতে বিনামূল্যে বিতরণ ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রাজস্থলীসহ পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে বনায়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলদ গাছের মাধ্যমে স্থানীয় পরিবারগুলো ভবিষ্যতে আর্থিকভাবে উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি বনজ ও ঔষধি গাছের বিস্তারের ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে একই প্রকল্পের আওতায় রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ধনুছড়ি রেঞ্জ এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে আরও ৫ হাজার গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামান বলেন, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে বনায়ন সম্প্রসারণের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এসব গাছ দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের বিতরণ করা চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পাহাড়ের প্রাকৃতিক বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিত বনায়নের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ একদিকে পাহাড়ে সবুজায়ন বাড়াবে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *