লংগদুতে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে সেনা জোনের মতবিনিময় সভা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লংগদু জোন। পার্বত্য এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় সভায়।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লংগদু জোন অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন লংগদু জোনের বিদায়ী জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ।
সভায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
এ সময় তিনি লংগদু জোনের নবাগত জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসানকে উপস্থিত সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের এ সময়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবাগত জোন অধিনায়কের নেতৃত্বে লংগদুতে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আরও এগিয়ে যাবে।

বিদায়ী জোন অধিনায়ক বলেন, এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা লংগদু উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, নবাগত জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান, লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিদায়ী ও নবাগত জোন কমান্ডারের উপস্থিতিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, সুশীল সমাজ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের এমন মতবিনিময় পার্বত্য এলাকার নিরাপত্তা, শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয় আরও জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।