ভারতের মণিপুরে চাঁদাবাজি দমনে ব্যাপক কম্বিং অভিযান, অস্ত্রসহ গ্রেফতার একাধিক

ভারতের মণিপুরে চাঁদাবাজি দমনে ব্যাপক কম্বিং অভিযান, অস্ত্রসহ গ্রেফতার একাধিক

ভারতের মণিপুরে চাঁদাবাজি দমনে ব্যাপক কম্বিং অভিযান, অস্ত্রসহ গ্রেফতার একাধিক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে ভারতের মণিপুর রাজ্যজুড়ে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক কম্বিং, কর্ডন ও সার্চ অপারেশন জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৩০ ডিসেম্বর মণিপুরের ইম্ফল পূর্ব জেলার লামলাই থানাধীন কেইবি গ্রাম এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন প্রেপাক (প্রো) [জি-৫]–এর একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে নিরাপত্তা বাহিনী। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ইউম্নাম হেরামণি সিং ওরফে মালেম (৪১), বাড়ি ইতাম নুঙ্গোই মায়াই লেইকাই এলাকায়। তার কাছ থেকে একটি আধার কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে ৩১ ডিসেম্বর মণিপুর পুলিশ একই জেলার খুরাই কংপাল নিংথৌবুং লেইকাই এলাকার বাসিন্দা লাইশ্রম সানাতন মেইতেই (৪১)–কে গ্রেফতার করে। তিনি মণিপুর পুলিশের একজন কর্মরত হাভিলদার বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, এর একদিন আগে আরেকজন পুলিশ হাভিলদারকে আটক করা হয়, যখন কোনো নিবন্ধন নম্বরবিহীন একটি বুলেটপ্রুফ যান ইম্ফল পূর্ব জেলার পোরমপাট থানাধীন ওয়াংখেই আন্দ্রো পার্কিং এলাকা থেকে আটক করা হয়। ওই ঘটনার সূত্র ধরেই সর্বশেষ গ্রেফতার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সীমান্তবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি ও এলাকা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩১ ডিসেম্বর কাকচিং জেলার হিয়াংলাম থানাধীন ওয়াবাগাই নাতেখং তুরেনমেই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে—একটি এম-১৬ রাইফেল, একটি এসএলআর রাইফেল, একটি সিঙ্গেল ব্যারেল গান, দুটি সিঙ্গেল ব্যারেল বোল্ট অ্যাকশন রাইফেল, একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ১০টি গ্রেনেড, চারটি ডিটোনেটর, দুটি আর্ম রিং, আনুমানিক তিন কেজি ওজনের একটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি), একটি ল্যাথোড লাইভ রাউন্ড, একটি বিস্ফোরক শেল, একটি ৫১ এমএম মর্টার বোমা, ছয়টি টিয়ার স্মোক শেল, একটি স্টান শেল, ৭১ রাউন্ড গুলি, ১৭টি বারো-বোর লাইভ কার্তুজ, দুটি মোবাইল ফোন ও চার্জার এবং একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোনসহ বিভিন্ন ড্রোন অ্যাকসেসরিজ।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজ্যজুড়ে চাঁদাবাজ চক্র ভেঙে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed