আসাম থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন, ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা
![]()
নিউজ ডেস্ক
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের আসামে রাষ্ট্রায়ত্ত নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
জ্বালানি তেলটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আমদানি করবে। এর মধ্যে একটি অংশের অর্থ বিপিসি সরাসরি পরিশোধ করবে এবং বাকি অংশ ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনআরএলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমদানির মূল্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। চুক্তির মোট মূল্য ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ২২ ডলারের ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ দশমিক ৫০ ডলার প্রিমিয়াম যোগ করে এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার সঙ্গে চূড়ান্ত ব্যয় পরিবর্তিত হতে পারে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান জানান, এই ডিজেল আমদানি আগের সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত ১৫ বছর মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সম্পন্ন হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারতের আসাম রাজ্যে অবস্থিত নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে প্রথমে ডিজেল সিলিগুড়িতে নেওয়া হয়। এরপর বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। এই পাইপলাইনটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এই আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।