আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাটিরাঙ্গায় ইউপিডিএফ–জেএসএস সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি
![]()
নিউজ ডেস্ক
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার ১নং তাইন্দং ইউনিয়নের বান্দরসিং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ ও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন অপর সশস্ত্র সংগঠন জেএসএসের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ শনিবার সকাল ৯টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাটিরাঙ্গার বান্দরসিং এলাকায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র কমান্ডার সুমেন চাকমার নেতৃত্বে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ জন এবং জেএসএসের গ্রুপ কমান্ডার প্রগতি চাকমার নেতৃত্বে সমসংখ্যক ২০ থেকে ২৫ জন সশস্ত্র সদস্যের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও প্রভাব নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই এই গোলাগুলি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে কোনো সময় আবারও গোলাগুলি শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথাও জানা গেছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে, পার্বত্য অঞ্চলে সক্রিয় আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এমন সংঘর্ষ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এসব সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে আসছে।
প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংগঠনগুলোর পারস্পরিক বিরোধ ও ক্ষমতার লড়াই বন্ধ না হলে পাহাড়ে স্থিতিশীলতা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি যে কোনো সময় বড় আকার ধারণ করতে পারে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।