কাতারসহ অন্যান্য দেশে আটকে থাকা ইরানি তহবিল ‘ছাড়তে’ যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি
![]()
নিউজ ডেস্ক
কাতার এবং অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসলামাবাদে ইরান-মার্কিন আলোচনাকে স্বাগত জানানোর নিদর্শন হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ইরানের একটি জ্যেষ্ঠ সূত্র শনিবার (১১ এপ্রিল) জানিয়েছে।
সূত্র বলছে, ইসলামাবাদে আলোচনায় ওয়াশিংটনের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একে ‘ইতিবাচক’ চিহ্ন হিসাবে স্বাগত জানিয়ে কাতার এবং অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানি জমাকৃত সম্পদ ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।
তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করেনি।
তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি রয়টার্সকে বলেছে, সম্পদগুলোকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি ‘সরাসরিভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার সাথে যুক্ত’, যা আলোচনায় একটি মূল বিষয় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, ওয়াশিংটন যে সম্পদগুলো ‘আনফ্রিজ’ করতে রাজি হয়েছে সেগুলোর কোনো পরিমান জানানো হয়নি।
তবে, একটি দ্বিতীয় ইরানি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারের কাছে আটকে রাখা ইরানি তহবিলের ৬ বিলিয়ন ডলার মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে।
অন্যদিকে, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করার অনুরোধের জবাব দেয়নি।
৬ বিলিয়ন ডলার, যা মূলত ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়েছিল, ২০২৩ সালে মার্কিন-ইরানি বন্দি বিনিময়ের অংশ হিসাবে মুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে ইরানের মিত্র, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ইসরাইলের উপর হামলা করলে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন তা আবার আটকে দেয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি অভিযানের পর বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর বিশ্বজুড়ে তেল সংকট দেখা দেয়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।