সরকারের কাছে কাপ্তাই হ্রদ সংস্কার, শিল্প আধুনিকায়ন ও ইপিজেড স্থাপনের দাবি দীপেন দেওয়ানের

সরকারের কাছে কাপ্তাই হ্রদ সংস্কার, শিল্প আধুনিকায়ন ও ইপিজেড স্থাপনের দাবি দীপেন দেওয়ানের

সরকারের কাছে কাপ্তাই হ্রদ সংস্কার, শিল্প আধুনিকায়ন ও ইপিজেড স্থাপনের দাবি দীপেন দেওয়ানের
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

জাতীয় সংসদে প্রথমবার দেয়া বক্তব্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি দাবি তুলে ধরেছেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবে অংশ নিয়ে তিনি কাপ্তাই হ্রদের সংস্কার, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং একটি ইপিজেড স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “জিয়াউর রহমান আমাদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে জাতিসত্তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছেন বলেই আমরা এ দেশে স্বীকৃতি পেয়েছি।”

একইসঙ্গে তিনি তার বাবা এবং জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ানের স্মৃতিচারণ করে জানান, পারিবারিক রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে তিনি জিয়াউর রহমানের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ পেয়েছিলেন।

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে দীপেন দেওয়ান বলেন, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোসহ সব খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা জরুরি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পাহাড়ে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় এক দশমাংশজুড়ে বিস্তৃত তিন পার্বত্য জেলায় বাঙ্গালীসহ ১৩টি জাতিগোষ্ঠীর সহাবস্থান রয়েছে। এই অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাপ্তাই হ্রদের সংস্কার, টেক্সটাইল ও কর্ণফুলী পেপার মিল আধুনিকায়ন, কর্ণফুলী রেয়ন মিল পুনরায় চালু ও আধুনিকীকরণ, ইপিজেড জোন স্থাপন, শিল্পকারখানা ও পর্যটন খাতের উন্নয়নের ওপর জোর দেন।

পাশাপাশি কাপ্তাই লিচুবাগান থেকে চন্দ্রঘোনা পর্যন্ত সেতু নির্মাণের দাবিও জানান তিনি।

নিজের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া-এর আহ্বানে তিনি বিচার বিভাগের চাকরি ছেড়ে রাঙামাটিতে দলীয় সংগঠনকে সুসংগঠিত করেন।

তিনি বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে দেশের অর্থনীতিতে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা সম্ভব।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংসদে প্রথম বক্তব্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করে দীপেন দেওয়ান একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পার্বত্য অঞ্চলের শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চল জাতীয় অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *