স্বপ্নের ঘর পাচ্ছেন রাজস্থলীর কৃতি টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা

স্বপ্নের ঘর পাচ্ছেন রাজস্থলীর কৃতি টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা

স্বপ্নের ঘর পাচ্ছেন রাজস্থলীর কৃতি টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার রাজস্থলী উপজেলার কৃতি ও সম্ভাবনাময় টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমার জীবনে জ্বলেছে নতুন আশার আলো। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর তার স্বপ্নের ঘর এখন দৃশ্যমান বাস্তবতায় রূপ নিতে শুরু করেছে, যা পরিবারে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার খই খই সাই মারমার নিজ এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিলন মেম্বার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং খই খইয়ের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং দ্রুত, টেকসই ও মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ইউএনও বলেন, “খই খই সাই মারমা আমাদের রাজস্থলীর গর্ব। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তার অসাধারণ সাফল্য সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তার মতো মেধাবী খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই, তার স্বপ্নের এই ঘর দ্রুত সম্পন্ন হোক, যাতে সে একটি নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে থেকে দেশের জন্য আরও বড় অর্জন করতে পারে।”

খই খই সাই মারমার বাবা আবেগঘন কণ্ঠে জানান, দীর্ঘদিন কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করলেও মেয়ের সাফল্য তাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, “সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতায় আজ আমাদের এই ঘর নির্মাণ হচ্ছে—এটি আমাদের জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”

উল্লেখ্য, খই খই সাই মারমা দীর্ঘদিন ধরে টেবিল টেনিসে ধারাবাহিক কৃতিত্বের মাধ্যমে রাজস্থলীর নাম উজ্জ্বল করে আসছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা সত্ত্বেও তার এই সাফল্য স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

নিজের অর্জন ও স্বপ্নের ঘর বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন এবং রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা অব্যাহত থাকলে খই খই সাই মারমার মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনতে পারবেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *