শ্মশানের পাশে পাওয়া পরিত্যক্ত নবজাতককে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘ছোটমণি নিবাসে’ হস্তান্তর

শ্মশানের পাশে পাওয়া পরিত্যক্ত নবজাতককে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘ছোটমণি নিবাসে’ হস্তান্তর

শ্মশানের পাশে পাওয়া পরিত্যক্ত নবজাতককে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘ছোটমণি নিবাসে’ হস্তান্তর
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে শ্মশান সংলগ্ন জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতক কন্যাশিশুকে নিরাপদ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের ‘ছোটমণি নিবাসে’ হস্তান্তর করেছে উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড।

গতকাল রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাথমিক সেবা শেষে শিশুটিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে নবজাতককে দেখতে হাসপাতালে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা লিজা চাকমা। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটির জন্য নতুন কাপড় ও প্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিল রাত প্রায় ১১টার দিকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ছাগলখাইয়া শ্মশান এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান স্থানীয় এক গৃহবধূ। অজ্ঞাত পরিচয়ের কেউ রাতের আঁধারে নবজাতকটিকে সেখানে ফেলে রেখে যায়। খালি গায়ে পাতলা কাঁথায় মোড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকা শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন।

পরে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয় বলে জানা গেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লিজা চাকমা জানান, শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবজাতকের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু লালন-পালন নিশ্চিত করতে তাকে চট্টগ্রামের ‘ছোটমণি নিবাসে’ পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, এ ধরনের ঘটনায় নবজাতকের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed