চট্টগ্রামের হালদা নদীতে নমুনা ডিম ছাড়ল মা মাছ, অপেক্ষায় সংগ্রহকারীরা
![]()
নিউজ ডেস্ক
দেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননকেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ প্রজাতির মা মাছেরা নমুনা ডিম ছেড়েছে।
এর আগে, বুধবার রাত থেকেই ডিম সংগ্রহকারীরা নৌকা ও জাল নিয়ে নদীতে অবস্থান নেন।
সবকিছু অনুকূলে থাকলে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর ভাটার জো’তে ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ডিম ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান হালদা-গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মনজুরুল কিবরিয়া।
তিনি বলেন, নদীর পরিবেশ ডিম ছাড়ার উপযোগী হয়ে উঠেছে। কয়েক স্থানে নমুনা ডিম ছেড়েছে মা মাছ।
মনজুরুল কিবরিয়া আরও বলেন, নদীর পানির টারবিডিটি (ঘোলাটে) এখন ১০০ থেকে ১৫০। এটি ৬০০ থেকে ৭০০ থাকলে মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়বে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে জোয়ারের সময় হালদা নদীর বিভিন্ন অংশে ডিম ছাড়ে মা মাছ।
হাটহাজারীর গড়দুয়ারা ইউনিয়নের নয়াহাট, রাউজানের পশ্চিম গুজরা আজিমের ঘাট ও নাপিতের ঘাটের কাটাখালী এলাকায় ডিম সংগ্রহকারীদের কেউ কেউ ১০টি থেকে ১৫টি করে ডিম পেয়েছেন।
প্রচুর বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল হলে, হালদায় পুরোদমে ডিম ছাড়ে মা মাছ।
গত এপ্রিল মাসের শুরু থেকে পূর্ণ প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় নদীতে অপেক্ষায় ছিলেন ডিম সংগ্রহকারীরা। নদীতে মা মাছের আনাগোনাও শুরু হয়েছে। দুই উপজেলার চারটি সরকারি হ্যাচারি ও শতাধিক মাটির কুয়ায় রেণু পোনা ফোটানোর জন্য নানা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে প্রশাসন ও সংগ্রহকারীরা।
হালদা নদীতে মাছের ডিম সংগ্রহকারী মো. কামাল বলেন, ‘মা মাছ নমুনা ডিম ছেড়েছে। এখন পুরোদমে ডিম ছাড়বে, সেই অপেক্ষায় রয়েছি। নমুনা ডিম সংগ্রহ করেছি।’
প্রতিবছর হালদার দুই পাড়ে মা মাছের নিষিক্ত ডিম ধরার অপেক্ষায় থাকেন ৭০০ থেকে ৮০০ জন ডিম সংগ্রহকারী।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।