সংকট, সংঘাত ও শান্তির লড়াইয়ে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা

সংকট, সংঘাত ও শান্তির লড়াইয়ে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা

সংকট, সংঘাত ও শান্তির লড়াইয়ে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। একদিকে সংঘাত বাড়ছে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে, অপরদিকে কমছে শান্তিরক্ষা মিশনের জনবল ও অর্থায়ন। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরের মধ্যে বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে মিশনে নিয়োজিত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যের সংখ্যা গত এক দশকে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। তহবিল সংকট, বড় শক্তিগুলোর রাজনৈতিক বিভক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোননির্ভর অপপ্রচার, সাইবার ঝুঁকি এবং জটিল আঞ্চলিক সংঘাত শান্তিরক্ষীদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

এমন এক অস্থির বৈশ্বিক বাস্তবতায়ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ এখনও আস্থার প্রতীক। বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা পেশাদারত্ব, মানবিকতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। ১৯৮৮ সালে মাত্র ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও আজ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের হাজার হাজার সদস্য বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন। দক্ষিণ সুদান, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, লেবানন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রসহ সংঘাতকবলিত অঞ্চলে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশেষ করে নারী পুলিশ ও সামরিক সদস্যদের অংশগ্রহণ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে দিয়েছে অনন্য মর্যাদা।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে তাই শুধু বিশ্বশান্তির জন্য আত্মত্যাগী শান্তিরক্ষীদের স্মরণই নয়, বরং নতুন বাস্তবতায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আর্থিক সহায়তা এবং কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে সামনে এসেছে। আর সেই বৈশ্বিক প্রয়াসে বাংলাদেশ এখনও অন্যতম নির্ভরযোগ্য অংশীদার।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গভীর শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে ২৯ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির কারণে এবার বাংলাদেশে দিবসটির আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হবে আগামী ১০ জুন। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে শান্তিরক্ষী মিশন শুরু জাতিসংঘের

১৯৪৮ সালে শুরু হওয়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ‘ব্লু হেলমেট’ পরিহিত শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সবচেয়ে সংঘাতপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শান্তিরক্ষী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘ইনভেস্ট ইন পিস বা শান্তিতে বিনিয়োগ করুন’। বর্তমান জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ প্রতিপাদ্যে জোর দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বর্তমান অবস্থান

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জাতিসংঘের ১০টি মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের প্রায় ৪ হাজার ৯২ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। স্টাফ অফিসার ও সামরিক পর্যবেক্ষকসহ মোট বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর সংখ্যা প্রায় ৬ হাজার ৩০০।

২০২৬ সালের মার্চ মাসের জাতিসংঘের সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের তালিকায় নেপাল প্রথম, ভারত দ্বিতীয়, রুয়ান্ডা তৃতীয় এবং বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বর্তমানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো), দক্ষিণ সুদান, লেবানন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, আবেই অঞ্চল, লিবিয়া, সাইপ্রাসসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। পদাতিক ব্যাটালিয়ন, নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ, এয়ারফিল্ড সার্ভিস ইউনিট এবং ফর্মড পুলিশ ইউনিট (এফপিইউ) এসব মিশনে মোতায়েন রয়েছে।

বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সংকট

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনবল ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখে রয়েছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম। বর্তমানে ১১টি মিশনে প্রায় ৫০ থেকে ৫১ হাজার সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্য নিয়োজিত আছেন, যা এক দশক আগের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় দাতা দেশগুলোর অর্থ ছাড়ে বিলম্বের কারণে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা মিশনের কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

১৯৪৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষী বিশ্বশান্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। শুধু ২০২৫ সালেই কর্তব্যরত অবস্থায় মারা গেছেন ৫৯ জন।

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস

বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ নাম। পেশাদারত্ব, সাহসিকতা ও মানবিকতার জন্য বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। প্রথম অংশগ্রহণ ছিল ইউনাইটেড নেশনস ইরান-ইরাক মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে। দীর্ঘ ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে গঠিত এই মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক অংশ নেন।

একই বছর নামিবিয়ায় জাতিসংঘ ট্রানজিশন অ্যাসিস্ট্যান্স গ্রুপ (আনটাগ) মিশনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যাত্রা শুরু করে।

পদাতিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্তি

১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ায় ইউনাইটেড নেশনস ট্রানজিশনাল অথরিটি ইন কম্বোডিয়া মিশনে বাংলাদেশ প্রথম পূর্ণাঙ্গ পদাতিক ব্যাটালিয়ন পাঠায়। এর মধ্য দিয়েই বড় পরিসরে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুরু হয়।

সোমালিয়া ও রুয়ান্ডায় সাহসিকতা

নব্বইয়ের দশকে সোমালিয়া ও রুয়ান্ডার ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের সময় যখন অনেক দেশ সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়, তখন বাংলাদেশ অতিরিক্ত সৈন্য পাঠিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দেয়। সোমালিয়ায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়।

সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি

সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ তেজান কাব্বাহ ‘বাংলা’কে সম্মানসূচক দাফতরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন।

নৌ ও বিমান বাহিনীর সংযোজন

২০১০ সালে লেবাননে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়— যা ভূমধ্যসাগরে বহুজাতিক নৌ টাস্কফোর্সে বাংলাদেশের প্রথম অংশগ্রহণ। এছাড়া কঙ্গো ও দক্ষিণ সুদানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ইউনিট ও ক্রুরা ঝুঁকিপূর্ণ এয়ার সাপোর্ট দিয়ে আসছেন।

কেন সফল বাংলাদেশ

জাতিসংঘের মূল্যায়নে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাফল্যের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। যেমন– পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মানবিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, কৃষিকাজে সহায়তা ও অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং কঠিন ও প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা।

১৯৮৮ সালের ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪০টি দেশের ৫৪টি মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ পর্যন্ত ১৬০ জনের বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বশান্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশ ও নারী শান্তিরক্ষীদের অনন্য অর্জন

১৯৮৯ সালে নামিবিয়ায় মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষা যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশ পুলিশের ফর্মড পুলিশ ইউনিট (এফপিইউ) কঙ্গো, হাইতি, মালি ও সুদানসহ বিভিন্ন দেশে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে।

নারী পুলিশের বিশ্বজয়

শান্তিরক্ষায় নারী অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে একটি রোল মডেল। ২০১৫ সালে হাইতিতে জাতিসংঘের মিনুস্তাহ মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুসলিম নারী ফর্মড পুলিশ ইউনিট পাঠিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ১৬০ সদস্যের এই ইউনিট আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসা পায়। তাদের নিয়ে নির্মিত হয় প্রামাণ্যচিত্র ‘জার্নি অব এ থাউজ্যান্ড মাইলস: পিসকিপারস’।

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতেও বাংলাদেশ নিয়মিত নারী এফপিইউ পাঠাচ্ছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালেও সেখানে দায়িত্বরত বাংলাদেশি নারী পুলিশ সদস্যরা একাধিকবার জাতিসংঘ মেডেল লাভ করেছেন।

সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নারী শান্তিরক্ষীদের বিশেষ ভূমিকা

যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে নারী ও শিশুরা প্রায়ই যৌন সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হন। অনেক সময় তারা পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নিজেদের অভিজ্ঞতা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীরা সেই আস্থা ও নিরাপত্তার জায়গাটি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল সমাজগুলোতেও বাংলাদেশি নারী পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় নারীদের ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মানসিক সহায়তা ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জাতিসংঘে নারী পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ সবসময় শীর্ষ পর্যায়ে অবস্থান করছে।

বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন প্রযুক্তিনির্ভর অপপ্রচার, আঞ্চলিক সংঘাত এবং ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে শান্তিরক্ষীদের কাজ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার চলমান সংঘাত পরিস্থিতি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সম্প্রতি বলেছেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম স্থিতিশীলতা ও আশা ফিরিয়ে আনার একটি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী উপায়। তবে এর জন্য প্রয়োজন অবিচল রাজনৈতিক সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন।

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা তাদের পেশাদারত্ব, মানবিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে শুধু বিশ্বশান্তি রক্ষাই করছেন না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদাকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *