বাস-ট্রাকে মানুষ এনে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধ

বাস-ট্রাকে মানুষ এনে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধ

বাস-ট্রাকে মানুষ এনে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অবৈধভাবে পুশইনের বড় দুটি চেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয়রা।

রোববার (৭ জুন) ভোরে ও মধ্যরাতে পৃথক সময়ে ট্রাক ও বাসভর্তি বিপুলসংখ্যক মানুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তে নিয়ে আসে বিএসএফ। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

এই ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে।

সীমান্ত সূত্র জানায়, ভোরের দিকে পানবাড়ি বিওপির আওতাধীন মেইন পিলার ৮১০-এর নিকটবর্তী গোলডাঙ্গা গেট এলাকায় প্রথম পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। প্রতিপক্ষ ৩০ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের জিগাবাড়ি কোম্পানির একটি বড় টহলদল তিনটি জিপ, একটি বড় ট্রাক, একটি বাস ও পিকআপভর্তি বিপুলসংখ্যক মানুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে আসে। ভারতীয় বাহিনী গেট খোলার চেষ্টা করতেই শব্দ পেয়ে ওই এলাকায় দায়িত্বরত পানবাড়ি কোম্পানির বিজিবির তিনটি চৌকস টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। বিজিবির শক্ত অবস্থান টের পেয়ে বিএসএফ সদস্যরা পুশইনের জন্য নিয়ে আসা ব্যক্তিদের গাড়িবহরসহ দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

এরপর শেষ রাতের দিকে ৩০ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কলসিপাড়া ক্যাম্পের একটি দল ১০ থেকে ১৪ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইন করার উদ্দেশ্যে গেটের সামনে নিয়ে আসে। তবে মধ্যরাতেও বিজিবির চোখ ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হয়নি। গেট খোলার শব্দ পাওয়া মাত্রই কলসিমুখ কোম্পানির দুটি বিজিবি টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিজিবির অতর্কিত উপস্থিতি টের পেয়ে বিএসএফ সদস্যরা অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে পুনরায় ভারতীয় সীমানার ভেতরে পালিয়ে যায়।

লালমনিরহাট ৬১ বিজিবি সহকারী পরিচালক আব্দুল রাজ্জাক মন্ডল জানান, বিএসএফের এই জোড়া তৎপরতার পর সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা (হাই অ্যালার্ট) জারি করেছে বিজিবি। পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, টহল কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ বহুগুণ জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে বিজিবির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে টহল দিচ্ছে। যে কোনো পরিস্থিতি ও উসকানি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বিজিবির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *