খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

“করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” — এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জাতীয় ফল মেলা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সম্মুখে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ উম্মে তাহমিনা মিতু।

দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং নিরাপদ ফল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহজালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জয়নাল এবং উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. ইউনুছ নূর। এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

মেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত দেশীয় ও বিদেশি জাতের ফল প্রদর্শন করেন। কাঁঠাল, লিচু, আনারস, ড্রাগন ফল, মাল্টা, লেবু, পেয়ারা, কলা, জাম, জামরুল, বিদেশি জাতের আম,

আলুবোখারা ও অন্যান্য মৌসুমি ফলের সমাহারে মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটির কারণে মাটিরাঙ্গায় বিভিন্ন ধরনের ফল চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকরা একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারবেন, তেমনি দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তিনি আরও জানান, ফল চাষ সম্প্রসারণ ও আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মাটিরাঙ্গা অচিরেই দেশের অন্যতম প্রধান ফল উৎপাদন অঞ্চলে পরিণত হবে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, মেলায় কৃষি বিভাগের তথ্যসমৃদ্ধ স্টল, ফলভিত্তিক প্রদর্শনী এবং কৃষকদের জন্য বিশেষ পরামর্শ সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দেশি-বিদেশি নানা জাতের এই বৈচিত্র্যময় ফলের সঙ্গে দর্শনার্থী, স্থানীয় কৃষক ও শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়াই মেলার মূল উদ্দেশ্য। আগামী তিন দিন মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed