সিন্ধু পানি চুক্তি: ‘এখতিয়ার নেই’ জানিয়ে হেগ আদালতের রায় প্রত্যাখ্যান ভারতের
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে হেগের আদালতের দেওয়া রায় সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে ভারত দাবি করেছে, নয়াদিল্লির সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হেগের এই ট্রাইব্যুনালকে একটি ‘অবৈধভাবে গঠিত’ সংস্থা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
সেই সঙ্গে হেগের দেওয়া সব ধরনের নির্দেশনা অগ্রাহ্য করার ঘোষণা দিয়েছে।
কারণ আদালত নয়াদিল্লিকে পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি বহাল রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির বিশ্বের প্রাচীনতম স্থায়ী ফোরাম, কোর্ট অব আরবিট্রেশন বলেছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সিন্ধু নদ জলবণ্টন চুক্তিটি সম্পূর্ণ কার্যকর রয়েছে এবং ভারতের এটি স্থগিত রাখার কোনো বৈধ কারণ নেই।
৬৭ বছর আগে হওয়া চুক্তিটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদীর পানিবন্টন ব্যবস্থার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
গত বছর ২২ এপ্রিল পাহলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানি হয়। এরপরই ভারত সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
রক্ত ও পানি একসঙ্গে বইতে পারে না উল্লেখ করে নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, ইসলামাবাদ তার মাটি থেকে পরিচালিত আন্ত সীমান্ত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোকে নির্মূল করার জন্য যাচাইযোগ্য ও অপরিবর্তনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি স্থগিত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই এই তথাকথিত আদালতের কার্যকারিতা এবং এখতিয়ারকে অস্বীকার করে আসছি।
বিশ্বব্যাংক চুক্তির মূল শর্তাবলী লঙ্ঘন করে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে। ফলে এর কোনো রায় বা নির্দেশনা মানতে ভারত বাধ্য নয়।’
ভারত মনে করে, চুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত ত্রি-স্তরীয় কাঠামোর নিয়ম লঙ্ঘন করে পাকিস্তান সরাসরি আদালতে গেছে, যা বেআইনি বলে যোগ করেন এই মুখপাত্র।
ভারত শুরু থেকেই এই আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।