শাপলা, পিলখানা ও চব্বিশের গণহত্যার বিচার আদায় করে ছাড়ব: জামায়াত আমির

শাপলা, পিলখানা ও চব্বিশের গণহত্যার বিচার আদায় করে ছাড়ব: জামায়াত আমির

শাপলা, পিলখানা ও চব্বিশের গণহত্যার বিচার আদায় করে ছাড়ব: জামায়াত আমির
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

শাপলা চত্বর, পিলখানা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, পিলখানায় নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার খুনি এবং যারা আয়নাঘর ও জল্লাদখানা তৈরি করেছিল, তাদের প্রত্যেকের বিচার আদায় করে ছাড়ব।

শনিবার রাতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের গন্তব্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত বিশাল সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা চেয়েছিলেন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের কবর রচনা করে সংসদের ভেতরেই সবকিছুর ফয়সালা করতে। কিন্তু সরকার গণভোটের রায়কে অস্বীকার করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান ও প্রতারিত করেছে। বিরোধী দলকে লোভ বা টোপ দিয়ে কেনা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া ৭০ শতাংশ রায় বাস্তবায়ন করেই তারা ছাড়বেন। খুব শিগগিরই বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে ফ্যাসিবাদ, অপরাধী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ এবং আধিপত্যবাদীরা নিশ্চিতভাবে হেরে যাবে।

বিগত আন্দোলনের শহীদ ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, বিগত আন্দোলনে বিপুল মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, অনেকেই গুম হয়েছেন এবং আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে ছয় মাস ক্ষমতায় থাকার পর নিজেদের শিশু সরকার বলে দাবি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ জনগণ কোনো শিশুকে ভোট দেয়নি, বরং প্রাপ্তবয়স্ক বিবেচনা করে তাদের ওয়াদা শুনে ভোট দিয়েছে।

সরকারের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার একের পর এক উল্টাপাল্টা কাজ করবে আর বিরোধী দল বসে বসে আঙুল চুষবে—তা হতে দেওয়া হবে না। এখন পর্যন্ত তাদের আঙুল সোজা রয়েছে, তবে প্রয়োজনে তা বাঁকা করতে দ্বিধা করা হবে না।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *