আনন্দভ্রমণ থেকে মৃত্যুফাঁদ, ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে প্রাণ গেল ১০ পর্যটকের
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”
![]()
- নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন।
- রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা ।
- অনুমোদনহীন কাঠের রিসোর্টটিতে অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ছিল ।
- ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন ।
তারেকুর রহমান, কক্সবাজার
কক্সবাজারের ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় মেরিন ড্রাইভের পাশে কাঠের তৈরি টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে শনিবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারে হোটেল-রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার গুরুতর ঘাটতি সামনে এসেছে।
আগুনে পুড়ে যাওয়া রিসোর্টটিতে ছুটি কাটাতে আসা একটি পরিবারের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই শোকে পরিণত হয়। নিহত ১০ জনের মধ্যে একই বর্ধিত পরিবারের ছয়জন রয়েছেন। তারা ঢাকার বাসিন্দা। কাঠের তৈরি দাহ্য স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে তারা আটকা পড়েন।
দ্বিতীয় তলার একটি জানালার কাচ ভেঙে নিচে লাফ দিয়ে প্রাণে বাঁচেন আশিকুল ইসলাম। তবে তার স্ত্রীসহ পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য আগুনে মারা গেছেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আশিকুল বলেন, ‘আর ১০ মিনিট সময় পেলে আমার স্ত্রীও নিচে নেমে আসতে পারত।’
তিনি জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তার স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেন। এরপর পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা আত্মীয়দের সতর্ক করতে ছুটে যান তিনি। কিন্তু আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বের হওয়ার পথগুলো আগুনের গ্রাসে চলে যায়।
আশিকুলের দলের তিনজন জীবিত অবস্থায় ভবন থেকে বের হতে পারলেও বাকি ছয়জন আর বের হতে পারেননি।
টয়লেট থেকে উদ্ধার চারজনের মরদেহ
শনিবার সকাল ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি উদ্ধারকর্মীরা প্রথমে আগুনে ঝলসে যাওয়া ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে রিসোর্টের শৌচাগারের ভেতর থেকে আরও চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র তাপ থেকে বাঁচতে তারা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজন আহত হন। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, প্রাথমিকভাবে রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুমন দাবি করেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
সুমন বলেন, প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন রিসোর্টের কর্মীরা। কিন্তু দেয়ালে স্থাপিত শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এবং রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ার পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে কাঠের তৈরি স্থাপনাটি দ্রুত পুড়ে যায়।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, মরদেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে স্বজনদের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তালিকা থেকে প্রাথমিকভাবে নিহত নয়জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভি (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), ফাইজান আহমেদ (৫), সাবরিন (২৩), জেরিফ (১৮), নাফিস্তা মীম (২৭), নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯) ও ফারিহা কবির (৩৩)। নিহত অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতদের মধ্যে মালিহা, আলভি, নাবিলা, ফাইজান, সাবরিন ও জেরিফ এই ছয়জন আশিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্য।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান বলেন, উদ্ধার করা ১০ জনের মরদেহই এমনভাবে পুড়ে গেছে যে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার রিসোর্টে যান আশিকুলরা
আশিকুল ইসলাম ১০ জনের একটি দল নিয়ে বৃহস্পতিবার রিসোর্টটিতে আসেন। ছুটি কাটিয়ে শনিবার তাদের ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা ছিল। তবে পরিবারের একজন সদস্য ইফতি শুক্রবার রাতে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে রওনা হন। ফলে অগ্নিকাণ্ডের সময় রিসোর্টে ছিলেন পরিবারের নয়জন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে আহত কয়েকজন পর্যটককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, পাঁচজনের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরেকজনকে বহির্বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক শিহাব উদ্দিন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।
মাসুদ আশিকুলের আত্মীয়। মাসুদ ও তার স্ত্রী মিলাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে ঢাকার বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা ও স্বজন হারানোর শোকের চিত্র উঠে আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্গাপূজার ছুটিতে আত্মীয়দের সঙ্গে বেড়াতে আসা এক নারী জ্বলতে থাকা রিসোর্টের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তিনি বারবার চিৎকার করে বলছিলেন, ‘আমার সাইফকে ফিরিয়ে দাও।’
অগ্নিনিরাপত্তার অনুমোদন ছিল না রিসোর্টটির
অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির ঘাটতির বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে আসেন। অথচ পর্যটন এলাকার অনেক স্থাপনায় মৌলিক নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে।
ঢাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনায়েদ জানান, টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টের কোনো অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স ছিল না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই এটি পরিচালিত হচ্ছিল।
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তাবিধি না মানার কারণে গত জুনে রিসোর্টটিকে সতর্কতামূলক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল আলম বলেন, রিসোর্টটির সমুদ্রতীরবর্তী বাইরের অংশ দেখতে নান্দনিক ছিল। কিন্তু এখন তারা বুঝতে পারছেন, সেখানে আগুন থেকে বের হওয়ার বিকল্প কোনো পথ ছিল না।
আরেক বাসিন্দা ইমাম হোসাইন বলেন, কাঠ দিয়ে তৈরি এমন একটি স্থাপনায় আধুনিক স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেখানে কার্যকর কোনো অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ছিল না।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোর্শেদ জানান, জেলায় ৫০০টির বেশি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এর অনেকগুলোই বাধ্যতামূলক অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।
নিয়ন্ত্রণহীন বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ এবং নিয়ম প্রয়োগে শিথিলতার কারণে পর্যটন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও করিডরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কক্সবাজার শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি হোটেল ও রিসোর্টের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা এবং জরুরি বহির্গমন পথ নিয়মিত পরিদর্শন করতে হবে।’ তিনি নিম্নমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক সহনশীলতা বন্ধেরও আহ্বান জানান।
তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি
অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে আগুনের সূত্রপাত, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই কাঠের স্থাপনা পরিচালনার সুযোগ তৈরি হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায় নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু নাঈম মো. তালাত বলেন, ‘টুপটুপ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময় তাদের সতর্কও করা হয়েছিল।’
তিনি জানান, গত এক দশকে শুধু মেরিন ড্রাইভ এলাকায় বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২ হাজার ৫০০টি স্থাপনাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মধ্যে রয়েছে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত সমস্যা এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের বিধান না মানা। আবু নাঈম বলেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে স্থাপনা নির্মাণের জন্য অনুমতিই নেওয়া হয়নি।’
মেরিন ড্রাইভে টুপটুপ রিসোর্টসহ আড়াই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নেই
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটার এলাকায় হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যাচাই করে আড়াই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের বৈধতা পায়নি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক), ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এসব প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দিয়ে সতর্ক করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ১০ পর্যটকের প্রাণহানি হওয়া টুপটুপ রিসোর্টেরও সংশ্লিষ্ট তিন সংস্থার অনুমোদন ছিল না।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, টুপটুপ রিসোর্টটি কউকের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল না। এব্যাপারে নোটিশ প্রদান করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
তিনি জানান, মেরিন ড্রাইভের হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান কউকের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ধারাবাহিকভাবে যাচাই করার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে যাচাই করা আড়াই শত প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা আনতে নোটিশ প্রদান করা হয়। মুলত নোটিশ প্রদান করার পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়া হবে।
ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জানান, টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টের ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ছিল না। এ বিষয়ে আগে সতর্ক করা হলেও কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় বৈধতা নেয়নি বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, টুপটুপ রিসোর্ট ছাড়াও দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে সতর্ক করে নোটিশ দেয়া হয়েছে আগেই। এসব প্রতিষ্ঠানের ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। এব্যাপারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য শনিবার ঢাকা থেকে নিদের্শনা এসেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপ-পরিচালক খন্দাকার মাহমুদ পাশা জানান, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্ট সহ আড়াই শত প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এদিকে, বড় ধরণের দূর্ঘটনার পর এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা না থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার প্রশ্ন সংস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন সচেতন মহল।
এদিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্ট মালিক তানভীরকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে শনিবার রাতে মামলাটি করা হয় বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার।
এতে রিসোর্টটির ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। তবে মোট কতজনকে এই মামলার আসামি করা হয়েছে তা জানা যায়নি।
মালিক নিয়াজ মোর্শেদ ও তানভীর লাপাত্তা
টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোর্শেদ ও তানভীর লাপাত্তা রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে মালিকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও তাদের খুঁজে পাচ্ছেন না।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।