পিপিপি থেকে বাদ পড়ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক
![]()
নিউজ ডেস্ক
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মহাসড়ক উন্নয়নের একটি প্রস্তাব পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে সরকার।
প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারি অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে গৃহীত হয়, ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক নীতিগত অনুমোদন পায়।
এরপর ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি জাইকার অর্থায়নে পিপিপিভুক্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৫টি যানজটপ্রবণ স্থান উন্নয়ন বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং জাইকা মিশনের মধ্যে একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সে প্রেক্ষিতে মাতারবাড়ি বন্দর চালু হওয়ার পর, সেটিকে কার্যকরভাবে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বেশ কয়েকটি যানজটপ্রবন স্থানে জাইকার অর্থায়নে সমীক্ষা সম্পাদনপূর্বক ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (১)’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয় ।
জানা গেছে, পরবর্তীতে পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা (সম্ভাব্য প্রকল্প সমাপ্তিকাল ২০৩০ সাল) এবং ২০২৬ সালের মধ্যে মাতারবাড়ী বন্দর চালুর বিষয়টি বিবেচনা করে চলমান ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (১)’ এর পাশাপাশি জাইকার ওডিএ অর্থায়নে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের অবশিষ্ট সড়কাংশ উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জাইকার কাছে অনুরোধ করে।
২০২৪ সালের ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ-জাপান যৌথ প্লাটফর্ম সভায় উল্লিখিত প্রকল্পটি (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের অবশিষ্ট সড়কাংশ উন্নয়ন) জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়িত হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা যায়।
ওই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জাইকার অর্থায়নে চট্টগ্রাম হতে চকোরিয়া পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার সড়কাংশের জন্য ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (২)’ গৃহীত হয়। একই ধরনের আরেকটি প্রকল্প চলমান থাকায় এবং আর্থিক কোনো ক্ষতির আশংকা না থাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আর আবশ্যকতা থাকে না।
যৌক্তিক কারণে প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা প্রয়োজনীয়তাও দেখা দেয়।
অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন নিয়ে প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানায় পিপিপি কর্তৃপক্ষ।
এ অবস্থায়, এই প্রকল্পের অনুরুপ প্রকল্প ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (২)’ জাইকার অর্থায়নে গৃহীত হওয়ায় ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (১)’ পিপিপি তালিকা হতে প্রত্যাহার করার জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।