ডাম্পিং স্টেশন ঘিরে জট, রাঙামাটিতে দুই দিনেও সরেনি শহরের ময়লা

ডাম্পিং স্টেশন ঘিরে জট, রাঙামাটিতে দুই দিনেও সরেনি শহরের ময়লা

ডাম্পিং স্টেশন ঘিরে জট, রাঙামাটিতে দুই দিনেও সরেনি শহরের ময়লা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তরের দাবিতে এলাকাবাসীর বাধার মুখে রাঙামাটি শহরে টানা দুই দিনেও ময়লা অপসারণ সম্ভব হয়নি। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ময়লার স্তুপ জমে সৃষ্টি হয়েছে চরম দুর্গন্ধ, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ময়লার স্তূপ জমে থাকতে দেখা গেছে। রির্জাভ বাজার, তবলছড়ি, বনরূপা ও কলেজ গেইটসহ প্রায় সব এলাকাতেই ডাস্টবিন উপচে পড়ছে। অনেক স্থানে ডাস্টবিনের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে আবর্জনা, যা আশপাশের পরিবেশকে দূষিত করছে।

খাবারের সন্ধানে ভাসমান গরু ও কুকুর এসব ময়লা টেনে সড়কে ছড়িয়ে দিচ্ছে, ফলে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়ছে। ধীরে ধীরে দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী রাঙামাটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে ডাম্পিং স্টেশনে ময়লা ফেলতে না পারায় পৌরসভার ময়লা সংগ্রহকারী গাড়িগুলো সংগ্রহ করা বর্জ্য পৌরসভা প্রাঙ্গনেই জমা করে রাখছে। এতে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

ডাম্পিং স্টেশন ঘিরে জট, রাঙামাটিতে দুই দিনেও সরেনি শহরের ময়লা

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের প্রবেশমুখ ভেদভেদি রেডিও স্টেশন এলাকার পাশের ডাম্পিং স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোগান্তির কারণ। এর আগে এ বিষয়ে একাধিকবার মানববন্ধন করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এলাকাবাসী।

বর্তমানে এ বিষয়ে এলাকাবাসীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনের আলোচনা চলছে। আলোচনার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো শহরবাসী।

রাঙামাটি পৌরসভার প্রশাসক মো. মোবারক হোসেন জানান, সমস্যার সমাধানে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই এ সংকট নিরসন সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘস্থায়ী এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *