যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা চীন-রাশিয়ার
![]()
নিউজ ডেস্ক
চীন ও রাশিয়া যৌথ বার্ষিক নৌ-মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। চীনের পূর্ব উপকূলের কিংদাও শহরের কাছে ইয়েলো সাগরে ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত এই মহড়া চলবে।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’ নামে এই মহড়ায় দুই দেশের নৌবাহিনী সমুদ্র ও আকাশপথে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে। মহড়া শেষে প্রশান্ত মহাসাগরের সংশ্লিষ্ট এলাকায় যৌথ টহলও দেওয়া হবে।
চীনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মহড়ার উদ্দেশ্য যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
চীনের নর্দান থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, মহড়ায় দেশটির দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি রসদবাহী জাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ অংশ নিচ্ছে। সব যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যে কিংদাও বন্দরে পৌঁছেছে।
মহড়ায় নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, সমুদ্রপৃষ্ঠে হামলা, সাবমেরিনবিরোধী অভিযান, উদ্ধার কার্যক্রম এবং কামান মহড়ার মতো বিভিন্ন অনুশীলন হবে।
রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেলচালিত সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ অংশ নিচ্ছে।
কিংদাওয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রিয়ার অ্যাডমিরাল সের্গেই সিনকো বলেন, এই মহড়ার লক্ষ্য দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা এবং এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
দুই মাস আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীন সফর করেন। সে সময় তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও দুই দেশের ‘অটুট অংশীদারত্বের’ প্রশংসা করেন।
চীন ও রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত ‘জয়েন্ট সি’ নৌ-মহড়া আয়োজন করে আসছে। গত বছর রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত মহড়ার পরও দুই দেশের নৌবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহল দিয়েছিল।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চীন নিজেকে নিরপেক্ষ বলে দাবি করলেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা অভিযোগ করে আসছে, বেইজিং বিভিন্নভাবে মস্কোর যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে সহায়তা করছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।