গোলাগুলিতে নিহত ৩ জনের লাশ নিতে আসেনি কেউ, পড়ে আছে হাসপাতালে

গোলাগুলিতে নিহত ৩ জনের লাশ নিতে আসেনি কেউ, পড়ে আছে হাসপাতালে

গোলাগুলিতে নিহত ৩ জনের লাশ নিতে আসেনি কেউ, পড়ে আছে হাসপাতালে
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার মধুমঙ্গলপাড়ায় ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত তিন তরুণের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে তাদের স্বজনরা না আসায় লাশ হস্তান্তর করতে পারেনি পুলিশ। লাশগুলো খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে। এদিকে ঘটনার এক দিন পার হলেও থানায় কোনও মামলা হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের লাশ গ্রহণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের জানানো হয়েছে। তবে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল পর্যন্ত লাশ গ্রহণের জন্য কেউ আসেননি। পুলিশ লাশ হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এ ঘটনায় মামলা করবে সেই অপেক্ষায়ও রয়েছে পুলিশ। পরিবারের সাড়া না পেলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

গতকাল সোমবার দুপুরে পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিন তরুণ নিহত হন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন— পদ্ম চাকমা (১৮), ধনা চাকমা (১৮) ও রিয়েল চাকমা (১৮)। ঘটনার পর পুলিশ জানায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সংঘর্ষে তারা নিহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পদ্ম চাকমা ও ধনা চাকমার বাড়ি রাঙামাটিতে এবং রিয়েল চাকমার বাড়ি পানছড়ি উপজেলায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া দুটি গুলি, ১৪টি ব্যবহৃত গুলির খোসা এবং চারটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

পানছড়ি থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কেউ লাশ নিতে হাসপাতালে বা থানায় আসেননি। আমরা লাশ হস্তান্তরের জন্য তাদের অপেক্ষায় রয়েছি।’

এদিকে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে জেএসএস ও ইউপিডিএফ। নিহত তিন তরুণ কিংবা হামলাকারীরা কেউই তাদের সংগঠনের নয় বলে জানিয়েছে দুটি সংগঠন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।