রাইখালী-বাঙ্গালহালিয়ায় ৩৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, আটক ৬

রাইখালী-বাঙ্গালহালিয়ায় ৩৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, আটক ৬

রাইখালী-বাঙ্গালহালিয়ায় ৩৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, আটক ৬
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

রাঙামাটির কাপ্তাই ও রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করেছে বিজিবি ও পুলিশ। এসব ঘটনায় মোট ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাইয়ের রাইখালীতে বিজিবি পাঁচজনকে এবং বাঙ্গালহালিয়ায় পুলিশ একজনকে আটক করে।

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ও রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের ঢংছড়ি বিজিবি ক্যাম্পের চেকপোস্টের সামনে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তল্লাশি চালায় বিজিবির একটি টহল দল। এ সময় গাড়ি থেকে ২৮ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মদের আনুমানিক সিজার মূল্য ১৪ হাজার টাকা।

অভিযানে দুই নারী ও তিন শিশুকে আটক করা হয়। ঢংছড়ি বিজিবি ক্যাম্পের টহল কমান্ডার হাবিলদার জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি দল চেকপোস্টে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

পরে আটক ব্যক্তিদের ও উদ্ধার করা চোলাইমদ শনিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে চন্দ্রঘোনা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, একই রাতে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ডাকবাংলা পাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাত লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ কিরণ মালা (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা পাকা সড়কে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় এক কেজি ওজনের সাতটি প্যাকেটে রাখা মোট সাত লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে এএসআই (এবি) মাহফুজুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম সাকের জানান, পৃথক অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের রাঙামাটির আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকাগুলোতে দেশীয় মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক পরিবহন, বিক্রি ও সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে পরিবার, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *