রাঙামাটিতে বন্যার পানি নামছে, সামনে খাদ্যসংকটের শঙ্কা
![]()
নিউজ ডেস্ক
টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় রাঙামাটির বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সামনে আসছে। তবে পানি নেমে গেলেও খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিশুখাদ্য ও গবাদিপশুর খাদ্য সংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দুর্গত মানুষের মধ্যে।
সোমবার সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এবং বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া বাজার থেকে বন্যার পানি সরে যেতে শুরু করে। পানি কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে ঘরে ফিরেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক এলাকায় এখনো সরকারি ত্রাণ পৌঁছায়নি। ফলে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও শিশুদের প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। একই সঙ্গে গবাদিপশুর খাদ্যের সংকটও দেখা দিয়েছে।
এদিকে বাঘাইছড়ির সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন থাকায় পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।

পানি কমে যাওয়ার পর অনেকেই ঘরবাড়ি ও সড়কে জমে থাকা কাদামাটি পরিষ্কারের কাজে নেমেছেন। বিলাইছড়ির ফারুয়া বাজারে দোকানপাটে জমে থাকা পুরু কাদার স্তূপ সরাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
অন্যদিকে দুর্গম এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি কাজ করছে।

এদিকে উজানের পানির কারণে বরকল উপজেলার ঠেগা, খুব্বাং চুমাচুমি, লংগদু ও রাজস্থলীসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েকশ পরিবার নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষদের জন্য তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া চলমান দুর্যোগে এ পর্যন্ত জেলার ১৩১টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।