শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার সিগারেট, স্বর্ণ ও মদ জব্দ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রাজধানীতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযানে দুই কোটি টাকার বেশি মূল্যের বিদেশি সিগারেট, মদ, স্বর্ণালংকার ও নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। দুবাই ও কলকাতা থেকে আসা বিভিন্ন ফ্লাইটের যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা হয়। শুল্ক ও করসহ জব্দ পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য দুই কোটি চার লাখ সাত হাজার টাকা।
এনবিআর জানায়, দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ সংগ্রহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সময় এক নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় তিনটি সন্দেহজনক ব্যাগ পাওয়া যায়। পরে ব্যাগগুলো তল্লাশি করে মন্ড ব্র্যান্ডের ৩৭০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১১১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে অভিযানে মোট ৪৮১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ সিগারেটগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে প্রযোজ্য শুল্ক ও করসহ মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার টাকা।
একই ফ্লাইটে আগত যাত্রী মো. তাজুল ইসলামের হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে আনা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়।
পাসপোর্ট যাচাই করে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানতে পারেন, ওই যাত্রী চলতি বছরের ১০ জুন শুল্ক ও কর ছাড়ে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দেশে এনেছিলেন। ব্যাগেজ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী একই বছরে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত স্বর্ণালংকার শুল্কমুক্তভাবে আনার সুযোগ না থাকায় নতুন করে আনা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়।
জব্দ স্বর্ণালংকারের বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৬৫ টাকা। শুল্ক ও করসহ এর মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
অভিযানে আরও ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ছাড়া কলকাতা থেকে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১ লিটার বিদেশি মদ (হুইস্কি) জব্দ করা হয়। এসব মদের বাজারমূল্য প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার টাকা হলেও শুল্ক ও করসহ মোট মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
এনবিআর জানিয়েছে, জব্দ পণ্যগুলোর বিষয়ে কাস্টমস আইন, ব্যাগেজ বিধিমালা ও অন্যান্য প্রযোজ্য আইনে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।