রাঙামাটিতে চাঁদা না পেয়ে ১৪শ পেঁপে গাছ কাটার অভিযোগ জেএসএস সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে

রাঙামাটিতে চাঁদা না পেয়ে ১৪শ পেঁপে গাছ কাটার অভিযোগ জেএসএস সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে

রাঙামাটিতে চাঁদা না পেয়ে ১৪শ পেঁপে গাছ কাটার অভিযোগ জেএসএস সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা সদরের আসামবস্তি এলাকায় এক কৃষকের প্রায় ১ হাজার ৪০০টি পেঁপে গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের দাবি, চাঁদার টাকা না দেওয়ায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাতে আসামবস্তি এলাকার ভ্রাম্যন টিলায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক খলিলুর রহমান অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে জেএসএস সন্ত্রাসী শান্তি রঞ্জন চাকমার সহযোগী দীপেন চাকমা স্থানীয় সবজি চাষিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের সময় গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকেই শান্তি রঞ্জন চাকমা এলাকায় কৃষক ও সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেন তিনি।

No photo description available.

খলিলুর রহমানের ভাষ্য, তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুই দিন আগে কয়েকজন জেএসএস সন্ত্রাসী তাঁর বাগানে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা তাঁর বাগানের প্রায় ১ হাজার ৪০০টি পেঁপে গাছ কেটে ফেলে।

তিনি বলেন, “অনেক কষ্ট করে গড়ে তোলা বাগান মুহূর্তেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এতে আমি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারও দাবি, এ ঘটনার পর কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

No photo description available.

স্থানীয় সূত্রের দাবি, শান্তি রঞ্জন চাকমা লংগদু উপজেলার শিবারেগা এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুলিশ ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। একই সূত্রের দাবি, ঘটনার দিন তাঁর সহযোগী হিসেবে পরিচিত নতুনা চাকমা ও নিরন চাকমা রাঙামাটিতে অবস্থান করছিলেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালিরা এলাকায় জেএসএসের আধিপত্য নির্মূল করতে পরিত্যক্ত পুলিশ ক্যাম্পে আবারও ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *