রাঙামাটিতে ২০ আগস্ট শুরু হচ্ছে নৌযান শুমারি, অবহিতকরন সভা অনষ্ঠিত
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রাঙামাটিতে ইঞ্জিনচালিত নৌযানের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের নৌযান সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে ‘নৌযান শুমারি’ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ শুমারি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নুর উজ জামান নৌযান শুমারির উদ্দেশ্য, কার্যপদ্ধতি ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সভায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন।
সভায় জানানো হয়, ২০২২ সালের নৌযান শুমারিতে জেলার ৪২২টি ঘাটে ৪ হাজার ২৯৬টি নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে ২০২৬ সালের প্রাথমিক তালিকায় ৫৭০টি ঘাটে ৭ হাজার ৮৯৮টি এবং ঘাটের বাইরে আরও ১ হাজার ৮৫৯টি নৌযানের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে।
বক্তারা বলেন, নৌযানের সঠিক তথ্যভাণ্ডার না থাকায় দুর্ঘটনার পর মালিক বা চালককে শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তাই একটি নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্যভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে এ শুমারি পরিচালনা করা হচ্ছে।
সভায় জানানো হয়, আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২০৮ জন গণনাকারীর মাধ্যমে নৌযান শুমারি পরিচালিত হবে।
জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী শুমারি কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জেলার কোনো ইঞ্জিনচালিত নৌযান যেন শুমারির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি নৌযানের মালিকদের হয়রানি কমাতে রাঙামাটিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর একটি কার্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।