পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে- মীর হেলাল

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে- মীর হেলাল

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে- মীর হেলাল
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, পাহাড়ে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় সব অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড় বা সমতল যেখানেই হোক, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এমন অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) যৌথ উদ্যোগে ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখা এবং স্থায়ী শান্তি বজায় রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। পাহাড়ে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা ও সংঘাত দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্প্রীতির পথে বাধা।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যাগুলো হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। এর পেছনে দীর্ঘদিনের জটিলতা রয়েছে। তবে সরকার কোনো ধরনের রক্তপাত বা সংঘাতের পক্ষে নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

মীর হেলাল বলেন, পাহাড়ি ও বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে। কোনো পক্ষকে বাদ দিয়ে কিংবা হানাহানির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর করে সংলাপ ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আব্দুল হালিম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed