২২ বছরেও পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়নি- সন্তু লারমা - Southeast Asia Journal

২২ বছরেও পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়নি- সন্তু লারমা

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে সরকার অব্যাহতভাবে অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, এখনো চুক্তির মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অবাস্তবায়িত অবস্থায় রেখে দিয়েছে সরকার। ১লা ডিসেম্বর রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সন্তু লারমা বলেন, তিনি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জীবনের আশায় পার্বত্যবাসী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন, কিন্তু ২২ বছর অপেক্ষা করেও পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হলো না। সেটি আজ সুদূর পরাহত বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সন্তু লারমা আরো বলেন, এক নাগাড়ে ১১ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও আওয়ামীলীগ সরকার চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জলিমং মারমার সঞ্চালনায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য ন্যাপের আহ্বায়ক পংকজ ভট্টাচার্য্য, আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

প্রসঙ্গত, দুই দশকের বেশি সময়ের সশস্ত্র লড়াইয়ের পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর জেএসএস বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে । চুক্তিতে ৭২টি ধারা ছিল। এ চুক্তির মাধ্যমেই পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য তিন জেলায় তিনটি জেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সন্তু লারমা এখন আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান।

You may have missed