মহালছড়িতে উপজাতি যুবক কর্তৃক বাঙ্গালী ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, এলাকায় উত্তেজনা - Southeast Asia Journal

মহালছড়িতে উপজাতি যুবক কর্তৃক বাঙ্গালী ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, এলাকায় উত্তেজনা

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক উপজাতি বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বর্তমানে উক্ত এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

সূত্র মতে, গত ৭ ডিসেম্বর শনিবার মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়িস্থ নয়াপাড়ার বাসিন্দা মোঃ আঃ খালেকের (ছদ্দনাম) কণ্যা মোসাঃ সালমা আক্তার (ছদ্দনাম) সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দুপুরে স্কুল ছুটির পর সে বাড়ি ফেরার পথে নয়া পাড়া রাস্তার পাশের একটি পাহাড়ের কাছে পৌঁছালে স্থানীয় এক উপজাতি যুবক (অজ্ঞাত) তাকে একটি চাকু দেখিয়ে ঝোপের আড়ালে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। এসময় মেয়েটির চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে গেলে উপজাতি যুবকটি জঙ্গলে পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার অভিবাবকদের কাছে নিয়ে যায়। সে স্থানীয় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ বিদ্যালয়ের ছাত্রী বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে মোঃ আঃ খালেক ঘটনার বিবরণ শুনে মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় নুনছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খোরশেদকে জানালে, এসআই খোরশেদ মোঃ আঃ খালেক ও তার মেয়েকে নিয়ে যান। পরে মোসাঃ সালমা আক্তারের পিতা মোঃ আঃ খালেক বাদী হয়ে উক্ত অজ্ঞাত উপজাতি যুবকের বিরুদ্ধে মহালছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া মোসাঃ সালমা আক্তার জানায়, উক্ত যুবক তাকে দীর্ঘদিন যাবৎ স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বিরক্ত করতো। কিন্তু এলাকায় লজ্জার ভয়ে সে বিষয়টি কাউকে জানায়নি।

মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মহালছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে আসামী অজ্ঞাত হওয়ায় পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারে নি। এছাড়া এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তৎপর রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে, ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ ও ঘটনার সাথে জড়িত উপজাতি যুবককে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে সোশ্যাল এক্টিভিষ্টরা। তাছাড়া এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের মাঝেও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।