চাঁদপুর ও ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: বিদেশি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার - Southeast Asia Journal

চাঁদপুর ও ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: বিদেশি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার পেশাদারিত্ব ও গোয়েন্দা সক্ষমতার মাধ্যমে আবারও কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। চাঁদপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় পৃথক দুটি অভিযানে বিদেশি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী। সেনা সূত্র জানায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার পশ্চিম উপলতা এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ২টি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড পিস্তলের গোলাবারুদ, ১টি গ্যাস মাস্ক, ১টি হার্ড ড্রাইভ এবং ১টি হোলস্টার উদ্ধার করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংঘবদ্ধ অপরাধ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে একই রাতে পৃথক আরেকটি অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার বলাইবাড়ি এলাকায় রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১টি পিস্তল, ৬ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই অভিযানে অস্ত্রের পাশাপাশি মাদক উদ্ধার হওয়া স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ত্র ও মাদক চক্রের মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র রয়েছে। এসব চক্র সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি এবং অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক বিস্তারে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযানে তারা সর্বদা প্রস্তুত ও বদ্ধপরিকর। দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অবৈধ অস্ত্র বা মাদকের তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প কিংবা সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদপুর ও ময়মনসিংহে পরিচালিত এই সফল অভিযানগুলো আবারও প্রমাণ করে যে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু সহায়ক শক্তি নয়, বরং সংকটময় মুহূর্তে একটি নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার পেশাদারিত্ব ও গোয়েন্দা সক্ষমতার মাধ্যমে আবারও কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। চাঁদপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় পৃথক দুটি অভিযানে বিদেশি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী।

সেনা সূত্র জানায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার পশ্চিম উপলতা এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ২টি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড পিস্তলের গোলাবারুদ, ১টি গ্যাস মাস্ক, ১টি হার্ড ড্রাইভ এবং ১টি হোলস্টার উদ্ধার করা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংঘবদ্ধ অপরাধ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে একই রাতে পৃথক আরেকটি অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার বলাইবাড়ি এলাকায় রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১টি পিস্তল, ৬ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই অভিযানে অস্ত্রের পাশাপাশি মাদক উদ্ধার হওয়া স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ত্র ও মাদক চক্রের মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র রয়েছে। এসব চক্র সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি এবং অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক বিস্তারে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযানে তারা সর্বদা প্রস্তুত ও বদ্ধপরিকর। দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অবৈধ অস্ত্র বা মাদকের তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প কিংবা সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদপুর ও ময়মনসিংহে পরিচালিত এই সফল অভিযানগুলো আবারও প্রমাণ করে যে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু সহায়ক শক্তি নয়, বরং সংকটময় মুহূর্তে একটি নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *