লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, শিক্ষার্থীদের পাশে লক্ষীছড়ি জোন
![]()
নিউজ ডেস্ক
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোনের বিভিন্ন স্তরের সেনা কর্মকর্তাগণ, লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, লক্ষীছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পর্বে জোন অধিনায়ক লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজের বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

এর আগে লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজ, লক্ষীছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৬ আয়োজন করা হয়।
এই প্রতিযোগিতায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজের ৬৬ জন, লক্ষীছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫২ জন এবং বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৯৩ জন শিক্ষার্থী রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
জোন অধিনায়ক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদের সৃজনশীল প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
পুরস্কার বিতরণ শেষে জোন অধিনায়ক উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মনোযোগী অধ্যয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এসব গুণাবলিই ভবিষ্যতে একজন শিক্ষার্থীকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, লক্ষীছড়ি জোন নিয়মিতভাবে শিক্ষা, ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুবসমাজের ইতিবাচক বিকাশে লক্ষীছড়ি জোনের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।