ফটিকছড়িতে বন বিভাগের অভিযানে বাধা: গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ আহত ৪

ফটিকছড়িতে বন বিভাগের অভিযানে বাধা: গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ আহত ৪

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমিতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে সংঘটিত গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা থেকে আগত পীর শাহ আলম নঈমী হুজুর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফটিকছড়ি ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় পাহাড় কেটে একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে আসছিলেন। এসব স্থাপনা বন আইন লঙ্ঘন করে গড়ে তোলার অভিযোগে বন বিভাগ আজ শনিবার (শনিবার) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফটিকছড়ির ধলিয়াছড়ি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে যায়। অভিযান শুরুর পর নঈমী হুজুরের অনুসারীরা এলাকায় ‘মসজিদে হামলা’ হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়া এই গুজবের প্রভাবে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় সহকারী বন সংরক্ষক আবরারুর রহমান, নারায়ণহাট বনবিটের কর্মচারী মাহফুজ আলী, ফরেস্ট রেঞ্জার বাচ্চু মিয়া এবং একটি স্কেভেটরের চালক বিপ্লব গুরুতর আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতরা প্রাণভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে মূল সড়কে উঠে আসেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনোজ চৌধুরী জানান, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক)-এ রেফার করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে সড়ক অবরোধ করে। অবরোধকারীদের মধ্যে রহিমা বেগম, মনসুর আলী ও মেহেরুননিসা অভিযোগ করেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কয়েক বছর আগে মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বন বিভাগ কোনো আলোচনা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারেননি। চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন বিভাগের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঘটনাটি বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি রক্ষা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমিতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে সংঘটিত গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা থেকে আগত পীর শাহ আলম নঈমী হুজুর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফটিকছড়ি ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় পাহাড় কেটে একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে আসছিলেন। এসব স্থাপনা বন আইন লঙ্ঘন করে গড়ে তোলার অভিযোগে বন বিভাগ আজ শনিবার (শনিবার) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফটিকছড়ির ধলিয়াছড়ি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে যায়।

অভিযান শুরুর পর নঈমী হুজুরের অনুসারীরা এলাকায় ‘মসজিদে হামলা’ হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়া এই গুজবের প্রভাবে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমিতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে সংঘটিত গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা থেকে আগত পীর শাহ আলম নঈমী হুজুর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফটিকছড়ি ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় পাহাড় কেটে একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে আসছিলেন। এসব স্থাপনা বন আইন লঙ্ঘন করে গড়ে তোলার অভিযোগে বন বিভাগ আজ শনিবার (শনিবার) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফটিকছড়ির ধলিয়াছড়ি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে যায়।

অভিযান শুরুর পর নঈমী হুজুরের অনুসারীরা এলাকায় ‘মসজিদে হামলা’ হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়া এই গুজবের প্রভাবে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলায় সহকারী বন সংরক্ষক আবরারুর রহমান, নারায়ণহাট বনবিটের কর্মচারী মাহফুজ আলী, ফরেস্ট রেঞ্জার বাচ্চু মিয়া এবং একটি স্কেভেটরের চালক বিপ্লব গুরুতর আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতরা প্রাণভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে মূল সড়কে উঠে আসেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনোজ চৌধুরী জানান, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক)-এ রেফার করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে সড়ক অবরোধ করে। অবরোধকারীদের মধ্যে রহিমা বেগম, মনসুর আলী ও মেহেরুননিসা অভিযোগ করেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কয়েক বছর আগে মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বন বিভাগ কোনো আলোচনা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারেননি।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন বিভাগের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঘটনাটি বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি রক্ষা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

হামলায় সহকারী বন সংরক্ষক আবরারুর রহমান, নারায়ণহাট বনবিটের কর্মচারী মাহফুজ আলী, ফরেস্ট রেঞ্জার বাচ্চু মিয়া এবং একটি স্কেভেটরের চালক বিপ্লব গুরুতর আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতরা প্রাণভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে মূল সড়কে উঠে আসেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনোজ চৌধুরী জানান, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক)-এ রেফার করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে সড়ক অবরোধ করে। অবরোধকারীদের মধ্যে রহিমা বেগম, মনসুর আলী ও মেহেরুননিসা অভিযোগ করেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কয়েক বছর আগে মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বন বিভাগ কোনো আলোচনা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারেননি।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমিতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে সংঘটিত গণহামলায় সহকারী বন সংরক্ষকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা থেকে আগত পীর শাহ আলম নঈমী হুজুর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফটিকছড়ি ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় পাহাড় কেটে একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে আসছিলেন। এসব স্থাপনা বন আইন লঙ্ঘন করে গড়ে তোলার অভিযোগে বন বিভাগ আজ শনিবার (শনিবার) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফটিকছড়ির ধলিয়াছড়ি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে যায়।

অভিযান শুরুর পর নঈমী হুজুরের অনুসারীরা এলাকায় ‘মসজিদে হামলা’ হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়া এই গুজবের প্রভাবে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলায় সহকারী বন সংরক্ষক আবরারুর রহমান, নারায়ণহাট বনবিটের কর্মচারী মাহফুজ আলী, ফরেস্ট রেঞ্জার বাচ্চু মিয়া এবং একটি স্কেভেটরের চালক বিপ্লব গুরুতর আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতরা প্রাণভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে মূল সড়কে উঠে আসেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনোজ চৌধুরী জানান, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক)-এ রেফার করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি অংশে সড়ক অবরোধ করে। অবরোধকারীদের মধ্যে রহিমা বেগম, মনসুর আলী ও মেহেরুননিসা অভিযোগ করেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কয়েক বছর আগে মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বন বিভাগ কোনো আলোচনা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারেননি।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন বিভাগের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঘটনাটি বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি রক্ষা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন বিভাগের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলে খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঘটনাটি বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি রক্ষা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *