আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ সেগুন ও গামারী কাঠ উদ্ধার
![]()
নিউজ ডেস্ক
দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলার আলীকদম উপজেলায় অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী এক সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সেগুন ও গামারী কাঠ উদ্ধার করেছে আলীকদম সেনা জোন।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের দুর্গম ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণবের দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর বিশেষ টহলদল অংশ নেয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও সাহসিকতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

অভিযানকালে অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান বনজ সম্পদ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত কাঠসমূহ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্র জানায়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সেনা কর্তৃপক্ষ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।