সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিজিবির নতুন বিওপি উদ্বোধন: সীমান্ত নিরাপত্তায় যুক্ত হলো আধুনিক অবকাঠামো

সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিজিবির নতুন বিওপি উদ্বোধন: সীমান্ত নিরাপত্তায় যুক্ত হলো আধুনিক অবকাঠামো

সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিজিবির নতুন বিওপি উদ্বোধন: সীমান্ত নিরাপত্তায় যুক্ত হলো আধুনিক অবকাঠামো
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সেন্টমার্টিন বিওপি এবং টেকনাফে নবসৃজিত সী-বিচ বিওপি উদ্বোধন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও টেকনাফের লেঙ্গুরবিলে নির্মিত এসব বিওপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

টেকনাফে বিজিবি-২-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. হানিফুর রহমান প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেন্টমার্টিন বিওপিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সৈনিক লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, মনোবল সুদৃঢ়করণ এবং সামগ্রিক অপারেশনাল সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই বিওপি নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও গতিশীলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে বিজিবি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সেন্টমার্টিন বিওপি উদ্বোধনের পর বিজিবি মহাপরিচালক টেকনাফের লেঙ্গুরবিলে নবনির্মিত সী-বিচ বিওপি উদ্বোধন করেন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই বিওপিতে প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সেখানে অবস্থানরত বিজিবি সদস্যদের নিরাপত্তা, কর্মদক্ষতা, মনোবল এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন এই সী-বিচ বিওপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়, টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন দ্বীপে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছিল। পরবর্তীতে দ্বীপটির নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে সীমান্ত এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল সেন্টমার্টিন দ্বীপে পুনরায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মোতায়েন করা হয়।

বর্তমানে সেন্টমার্টিন বিওপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেখানে বিজিবির কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল বলে জানানো হয়েছে। নতুন অবকাঠামো ও আধুনিক সুবিধা সংযোজনের ফলে দ্বীপ ও আশপাশের সামুদ্রিক সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্ত ও বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধের ঝুঁকিতে রয়েছে। নতুন বিওপি স্থাপনের মাধ্যমে এসব অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed