বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের ৫৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে পিসিসিপির শ্রদ্ধা, নতুন প্রজন্মকে আদর্শ ধারণের আহ্বান
![]()
নিউজ ডেস্ক
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের ৫৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম এক যৌথ বিবৃতিতে এই শ্রদ্ধা জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কেবল একজন সাহসী যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতির স্বাধীনতার রক্ষাকবচ এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর বীরত্বগাথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অম্লান অধ্যায় হয়ে থাকবে। রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি জনপদে তাঁর আত্মদান আজও দেশপ্রেম ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয়।
পিসিসিপি নেতারা আরও বলেন, মুন্সী আব্দুর রউফের জীবন ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার এক শক্তিশালী উৎস। তাঁর বীরত্বগাথা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে তারা দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
বিবৃতিতে রাঙামাটির নানিয়ারচরে অবস্থিত তাঁর সমাধিস্থল এবং বুড়িঘাটের ঐতিহাসিক রণাঙ্গন সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁর আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে শান্তি, সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটি উল্লেখ করে, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের আত্মত্যাগ কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমগ্র জাতির গর্ব, চেতনা ও অনুপ্রেরণার এক চিরন্তন উৎস।
প্রসঙ্গত, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অনন্য ভূমিকা রাখেন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ, যা তাঁকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কাতারে স্থান করে দিয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।