বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় সীমান্তে আরও ৮২ জন, হোল্ডিং সেন্টারে ৪৭১ জন

বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় সীমান্তে আরও ৮২ জন, হোল্ডিং সেন্টারে ৪৭১ জন

বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় সীমান্তে আরও ৮২ জন, হোল্ডিং সেন্টারে ৪৭১ জন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় আরও ৮২ জন অবস্থান করছেন। এদিকে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন আরও সাড়ে চার শতাধিক মানুষ। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় প্রশাসন।

মূলত পশ্চিমবঙ্গের হোল্ডিং সেন্টারে থাকা কথিত বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে মোট ৪৭১ জন অবস্থান করছেন। তাদের দাবি, তারা বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিজ দেশে ফিরে যেতে চান।

রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৩টি জেলার পাশাপাশি সীমান্তসংলগ্ন প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে হোল্ডিং সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত ১৩টি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কার্যকর রয়েছে।

তবে অধিকাংশ হোল্ডিং সেন্টার বর্তমানে প্রায় ফাঁকা। শিলিগুড়িতে আটক ৮ জন এখনও হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অবৈধভাবে প্রবেশ ও ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে গত সোমবার আটক হওয়া আরও ৫ জন কথিত বাংলাদেশি নাগরিকও হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া ও দিনাজপুরের হোল্ডিং সেন্টারগুলো ইতোমধ্যে খালি হয়ে গেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে হাকিমপুরের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বিথারী গ্রামের হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর চেকপোস্টে বুধবার (১০ জুন) দুপুর পর্যন্ত আরও ৮২ জন নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

প্রশাসনের দাবি, এখনও নতুন করে সীমান্তে এসে হাজির হচ্ছেন কথিত এসব বাংলাদেশি নাগরিকরা। তাদের অনেকেই স্বীকার করেছেন, অতীতে বিভিন্ন সীমান্তপথে দালালের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরে তারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করেছেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগর এলাকার তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে মোট ৪৭১ জনকে রাখা হয়েছে। তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে শুরু করে আইবল স্ক্যানিংসহ সব ধরনের তথ্য যাচাই করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিশেষ ডেস্ক।

বিএসএফ দাবি করেছে, তথ্য যাচাই-বাছাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে না। হোল্ডিং সেন্টারে থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়ার আগে তারা যেন কোনও ধরনের সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি রাখা হচ্ছে। খাবার, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *