লংগদুতে জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন
![]()
নিউজ ডেস্ক
রাঙামাটি পার্বত্য জেলার লংগদুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ‘লংগদু জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর উদ্বোধন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে লংগদু উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন লংগদু জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বগুণ, আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। পাশাপাশি খেলাধুলা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ প্রতিযোগিতা স্থানীয় তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুসংহত করবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন জনমুখী ও মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে লংগদু উপজেলার বগাচত্বর ইউনিয়ন ফুটবল দল এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়ন ফুটবল দল মুখোমুখি হয়। খেলা উপভোগ করতে মাঠে বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এর আগে অতিথিরা ফিতা কেটে, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একইসঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ৩২ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মোছা. সারোয়ার জাহান চৌধুরী, লংগদু জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. শাহিনুর মাহমুদ খান, মেজর মো. শাহিনুর আল সাকিব, লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের টুর্নামেন্টে লংগদু উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ফুটবল দলের পাশাপাশি বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ও খেদারমারা ইউনিয়ন ফুটবল দল অংশগ্রহণ করছে। মোট নয়টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।