মুখোশের আড়ালে 'গণতন্ত্র' ও 'অধিকারের' বুলি: পাহাড়ের মানুষকে আর কতদিন বলির পাঁঠা বানাবে কেএনএফ?

মুখোশের আড়ালে ‘গণতন্ত্র’ ও ‘অধিকারের’ বুলি: পাহাড়ের মানুষকে আর কতদিন বলির পাঁঠা বানাবে কেএনএফ?

মুখোশের আড়ালে 'গণতন্ত্র' ও 'অধিকারের' বুলি: পাহাড়ের মানুষকে আর কতদিন বলির পাঁঠা বানাবে কেএনএফ?
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

সম্প্রতি একটি লেখার জবাবে KTC Today Media-র পক্ষ থেকে কিছু কাল্পনিক ও স্ববিরোধী যুক্তি দিয়ে কেএনএফ (KNF)-এর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে জাস্টিফাই করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তারা দাবি করেছে, কেএনএফ নাকি কোনো আঞ্চলিক সংগঠনের সাথে আঁতাত করেনি, তারা নাকি কোনো উস্কানি বা মদদে চলে না এবং তারা পাহাড়ে ‘সুশাসন ও গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়! অথচ ফেসবুকে ‘রাডার’ এবং ‘Mitul Chakma Bishal’-এর মতো আইডি থেকে শেয়ার হওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ আজ সবার সামনে স্পষ্ট। সেখানে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে, কেএনএফ প্রধান নাথান বমের মাধ্যমে ইউপিডিএফ (মূল) সন্ত্রাসী দলের শীর্ষ নেতা ও অস্ত্র সংগ্রাহক উজ্জ্বল স্মৃতি চাকমা এবং সহকারী কোম্পানি কমান্ডার ডা. প্রীতি ইতিমধ্যে যৌথভাবে মায়ানমার সফর করে এসেছে।

মুখে স্বকীয়তার বুলি আওড়ে ভেতরে ভেতরে ইউপিডিএফ এবং উগ্রবাদী জঙ্গি গোষ্ঠী ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’-এর সাথে হাত মেলানো—একে আঁতাত বা জোট না বলে কি ‘গণতান্ত্রিক মুভমেন্ট’ বলা হবে? নিজেদের চরম সংকটে অন্যকে ডুবানো এবং অন্যের পিঠে ভর করে টিকে থাকার এই মাকড়সার জালের মতো দুর্বল ও আত্মঘাতী রাজনীতি পাহাড়ের সচেতন মানুষ খুব ভালো করেই বোঝে।

মুখোশের আড়ালে 'গণতন্ত্র' ও 'অধিকারের' বুলি: পাহাড়ের মানুষকে আর কতদিন বলির পাঁঠা বানাবে কেএনএফ?

পাহাড়ে সুশাসন ও অধিকার আনার দাবিদার এই সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কারণে আজ সাধারণ বম, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরাসহ সর্বস্তরের নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে। এদের নিয়মিত অবৈধ চাঁদাবাজি এবং অস্ত্রের ঝনঝনানির কারণে পাহাড়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, যার ফলে সরকার বা রাষ্ট্রবাহিনী চাইলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মানবিক ও সামাজিক অধিকার রক্ষা করতে পারছে না। মূলত, এরা সাধারণ পাহাড়বাসীর ভাগ্য বদলানোর জন্য নয়, বরং ভারতের সুনির্দিষ্ট কিছু এজেন্ডা ও ইন্ধন বাস্তবায়ন করতে এবং নিজস্ব চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতেই সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

তাই পাহাড়ের সাধারণ ভাইবোনদের প্রতি আহ্বান, আসুন আমরা এই তথাকথিত ‘অধিকার আদায়ের’ মুখোশধারী চাঁদাবাজ ও বহিরাগত এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের চিনে রাখি এবং এদের বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে সচেতন হই। হিংসা, অস্ত্র আর জঙ্গিবাদের মাধ্যমে কখনো শান্তি আসতে পারে না, বরং তা কেবল ধ্বংসই ডেকে আনে। পাহাড়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ, সুশাসন এবং বম জনগোষ্ঠীসহ সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে সমস্ত সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। আজ পার্বত্য অঞ্চলকে শান্তির পথে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমাদের। পাহাড়ে সাধারন মানুষের সাবধানতা এবং সচেতনতাই পারে এদের রুখে দিতে।

-ফেসবুক পোস্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *